রেকর্ড রান তাড়ার পরও গুয়াহাটির উইকেট নিয়ে ক্ষুব্ধ গম্ভীর

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৪০৫ রানও যথেষ্ট হলো না। গুয়াহাটিতে ৩৯ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে জিতল ভারত। নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার জয়েও অবশ্য উইকেট নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন গৌতম গম্ভীর। ভারতীয় কোচের আপত্তি, ব্যাটারদের এমন দাপটে বোলারদের জন্য লড়াইয়ের সুযোগই থাকছে না।
বুধবার ম্যাচ শেষে স্টার স্পোর্টসকে গম্ভীর বলেন, ‘এটা ক্রিকেট নয়, শুধু ব্যাটিং।’ তার মতে, ব্যাট ও বলের মধ্যে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা প্রয়োজন। বোলারদেরও উইকেট থেকে কিছু সহায়তা পাওয়া উচিত।
গম্ভীরের যুক্তি, রেকর্ড, দর্শক ও সম্প্রচারকের জন্য এমন ম্যাচ দারুণ হতে পারে। কিন্তু কোচ ও ক্রিকেটপ্রেমী হিসেবে বোলারদের দুর্দশাও তাঁকে ভাবায়। এমন উইকেটে শুধু বোলিংয়ের পরিসংখ্যান দেখে কাউকে দায়ী করা ঠিক হবে না। অনেক সময় যতটা খারাপ বোলিং হয়েছে, পরিসংখ্যান তার চেয়েও খারাপ দেখায়।
গুয়াহাটির দ্বিতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ৪০৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ৪৩.৩ ওভারেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় ভারত। ওয়ানডে ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া। শুভমান গিল ১৩৩ বলে অপরাজিত ২২৩ রান করেন, রোহিত শর্মার ব্যাট থেকে আসে ১০১। দুই দল মিলিয়ে পাঁচটি সেঞ্চুরি হয়, মোট রান ওঠে ৮১১।
ভারতের ব্যাটিং কোচ সিতাংশু কোটাকও স্বীকার করেছেন, বোলারদের জন্য উইকেটে তেমন কিছু ছিল না। তার পছন্দ এমন উইকেট, যেখানে ৩০০-৩২০ রান তুলতে এবং সেই লক্ষ্য পেরোতে দুই দলকেই লড়তে হবে। তবে কিউরেটরদের সমালোচনা করতে চাননি তিনি। কোটাকের মতে, নিখুঁত উইকেট তৈরি সহজ নয়; রান বাড়ার পেছনে ব্যাটিংয়ের উন্নতিও ভূমিকা রাখছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং কোচ রবি রামপলের আক্ষেপও একই জায়গায়। তার মতে, গুয়াহাটির উইকেট এতটাই ব্যাটিংসহায়ক ছিল যে স্পিনার কিংবা পেসার—কেউই সাহায্য পাননি। এমন কন্ডিশনে বোলারদের কাজ কঠিন হয়ে যায়।
এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে ভারত। আগামী ৩ অক্টোবর সিরিজের শেষ ওয়ানডে।
