ফাইনাল হারের পর বাসে শর্ট সার্কিট, রাস্তায় আটকে ছিল গুজরাটের ক্রিকেটাররা

আইপিএল ফাইনালে হারের পর আরও এক বিপত্তির মুখে পড়ল গুজরাট টাইটান্স। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে শিরোপা হারানোর পর হোটেলে ফেরার পথে দলটির টিম বাসে শর্ট সার্কিট হয়। এতে বাসের ভেতরে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের দ্রুত নামিয়ে আনা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম থেকে হোটেলে ফেরার পথে। বাসে বৈদ্যুতিক ত্রুটির কারণে ধোঁয়া দেখা দিলেও গুজরাট দলের কেউ আহত হননি। খেলোয়াড় ও স্টাফরা সবাই নিরাপদে ছিলেন।
তবে ঘটনার কারণে কিছু সময়ের জন্য রাস্তায় অপেক্ষা করতে হয় গুজরাটের ক্রিকেটারদের। পরে আরেকটি বাসের ব্যবস্থা করা হলে দলকে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় এক ঘণ্টার মতো দেরি হয় তাদের হোটেলে ফিরতে।
এর আগে মাঠেও রাতটা ভালো কাটেনি গুজরাটের। আইপিএল ২০২৬ ফাইনালে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে ৫ উইকেটে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে তারা। আগে ব্যাটিং করে গুজরাট তুলেছিল ৮ উইকেটে ১৫৫ রান, যা ফাইনালের মঞ্চে যথেষ্ট হয়নি।
ফাইনালের আগেও গুজরাটের সূচি ছিল বেশ চাপের। ২৭ মে ধর্মশালা থেকে মুল্লানপুরে যেতে হয়েছিল দলটিকে। ২৯ মে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে কোয়ালিফায়ার টু খেলার পর ৩০ মে আহমেদাবাদে ফেরার কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাদের যাত্রা দেরি হয়। শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যার দিকে নিজেদের ঘাঁটিতে পৌঁছায় গুজরাট।
এই ক্লান্তিকর সূচি ফাইনালের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেছে কি না, এমন প্রশ্ন উঠেছিল ম্যাচ শেষে। তবে গুজরাটের ক্রিকেট ডিরেক্টর বিক্রম সোলাঙ্কি ক্লান্তিকে অজুহাত বানাতে চাননি। তার মতে, বেঙ্গালুরু ভালো খেলেছে, সেটির কৃতিত্ব তাদের দিতেই হবে।
সোলাঙ্কি বলেন, গুজরাটের ১৫৫ রানের সংগ্রহ প্রত্যাশার চেয়ে কম ছিল। তবে দল সেই রান নিয়েও লড়াই করার চেষ্টা করেছে। ফাইনালের পর তারা নিশ্চয়ই বিশ্লেষণ করবে, কোথায় আরও ভালো করা যেত।ছেন।
