logo
Advertisement

ছয় দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে পদক পেল ইংল্যান্ড

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
ছয় দশক পর বিশ্বকাপের মঞ্চে পদক পেল ইংল্যান্ড
ছবি: রয়টার্স

আর্জেন্টিনার কাছে সেমিফাইনালে হারের যন্ত্রণা ব্রোঞ্জে পুরোপুরি মুছবে না। তবে মায়ামিতে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ইংল্যান্ড এমন কিছু অর্জন করেছে, যা ছয় দশকে আর পায়নি। ১৯৬৬ সালে নিজেদের একমাত্র বিশ্বকাপ জয়ের পর এটিই তাদের সেরা ফল।

Advertisement

এবারই প্রথম বিশ্বকাপে তৃতীয় হয়েছে ইংল্যান্ড। এর আগে দুবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেললেও দুটিতেই হেরেছিল তারা। ১৯৯০ সালে স্বাগতিক ইতালির কাছে ২-১ এবং ২০১৮ সালে বেলজিয়ামের কাছে ২-০ গোলে হেরে চতুর্থ হয়েছিল ইংলিশরা। তৃতীয় চেষ্টায় এসে প্রথম ব্রোঞ্জ জিতল দলটি।

১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে ভালো দুটি বিশ্বকাপ অভিযান ছিল ১৯৯০ ও ২০১৮ সালে। দুই আসরেই সেমিফাইনাল পর্যন্ত উঠলেও শেষ পর্যন্ত চতুর্থ হয়ে ফিরতে হয়েছিল। এবারও ফাইনালের খুব কাছে গিয়ে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল তারা। তবে আগের দুবারের মতো খালি হাতে ফিরতে হয়নি।

ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই চার গোল করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল টমাস টুখেলের দল। ডেকলান রাইস ও এজরি কনসার পর জোড়া গোল করেন বুকায়ো সাকা। বিরতির পর কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ৪-০ থেকে ৪-৩ করে ম্যাচ জমিয়ে তোলে ফ্রান্স।

৮৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে ইংল্যান্ডকে আবার স্বস্তি দেন সাকা। যোগ করা সময়ে উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের চতুর্থ গোল করলেও শেষ মুহূর্তে জুড বেলিংহামের গোলে ৬-৪ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত হয়। ১০ গোলের ম্যাচটি বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণীর ইতিহাসেও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েছে।

ইংল্যান্ডের এই সাফল্যে ব্যক্তিগত রেকর্ডও গড়েছেন সাকা ও বেলিংহাম। জিওফ হার্স্ট, গ্যারি লিনেকার ও হ্যারি কেইনের পর বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা চতুর্থ ইংলিশ ফুটবলার হয়েছেন সাকা। আর এবারের আসরে সাত গোল করে এক বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন বেলিংহাম।