৪৫ বছর বয়সেও বিশ্বকাপ খেলতে পারেন রোনালদো, বিশ্বাস মার্তিনেজের

পর্তুগিজ ফুটবল সুপারস্টার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বয়স এখন ৪১। এবারের বিশ্বকাপে তিনি নামবেন রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো। তবে পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেজের বিশ্বাস, এখানেই শেষ না-ও হতে পারে পাঁচ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদোর বিশ্বকাপ অধ্যায়।
২০৩০ বিশ্বকাপে রোনালদো খেলতে পারেন কি না, এমন প্রশ্নে স্প্যানিশ রেডিও কাদেনা সেরকে মার্তিনেজ বলেছেন, ‘এ নিয়ে কারও সন্দেহ করা উচিত নয়। সে এটা অর্জন করেছে।’
২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে পর্তুগাল, স্পেন ও মরক্কো। সেই আসরে রোনালদোর বয়স হবে ৪৫। এখনও অবসরের সময় নিয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি পর্তুগিজ মহাতারকা।
২০০৩ সালে পর্তুগালের হয়ে অভিষেকের পর রোনালদো জাতীয় দলের হয়ে ২২৬ ম্যাচে করেছেন ১৪৩ গোল। পুরুষদের আন্তর্জাতিক ফুটবলে ম্যাচ ও গোল, দুই রেকর্ডই তার দখলে। বিশ্বকাপের পাঁচ আসরে গোল করা একমাত্র পুরুষ ফুটবলারও তিনি।
মার্তিনেজের চোখে রোনালদো শুধু পর্তুগালের অধিনায়ক নন, তরুণ ফুটবলারদের জন্য আদর্শও। তিনি বলেন, ‘পর্তুগালের সব তরুণ ফুটবলারের কাছে আমরা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মডেলটা পৌঁছে দিতে চাই। কারণ সে একজন রোল মডেল।’
এবারের বিশ্বকাপে রোনালদো যাচ্ছেন দারুণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে। আল নাসরের হয়ে ২৮ গোল করে সৌদি প্রো লিগ শিরোপা জিতেছেন তিনি। ২০২২ সালে সৌদি আরবে যাওয়ার পর এটি তার প্রথম লিগ শিরোপা।
রোনালদোর মানসিকতাই সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে মার্তিনেজকে। পর্তুগাল কোচের মতে, রোনালদো নির্দিষ্ট কোনো দলীয় বা ব্যক্তিগত শিরোপার জন্য খেলেন না। বরং তার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জয়ের পরদিনও আরও উন্নতির ক্ষুধা ধরে রাখা।
মার্তিনেজ বলেন, ‘ক্রিশ্চিয়ানো কেমন খেলল, তা দিয়ে সে সংজ্ঞায়িত নয়; সে সংজ্ঞায়িত হয় তার ক্ষুধা দিয়ে। যা-ই জিতুক, পরদিন তার উন্নতির একই ক্ষুধা থাকে।’
পর্তুগাল বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ১৭ জুন কঙ্গোর বিপক্ষে। এরপর ২৩ জুন উজবেকিস্তান এবং ২৭ জুন কলম্বিয়ার মুখোমুখি হবে তারা।
