logo

জাপান বাধা পেরিয়ে শেষ ষোলোতে সেলেসাওরা

বিশ্বকাপের শেষ ৩২ এ প্রথমার্ধে সানোর গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল, তবে বিরতির পর কাসেমিরোর হেডে সমতায় ফেরে আনচেলত্তির দল। এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায়, তখনই ৯৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোল জাপানের স্বপ্ন ভেঙে দেয়। ব্রাজিল ২-১ গোলে জিতে শেষ ষোলোতে উঠেছে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের ম্যাচের জয়ী দল।

ছবি: সংগৃহীত
৩০ জুন ২০২৬, ০১: ৩৪ এএম
এখানেই শেষ ব্রাজিল-জাপান লাইভ

হিউস্টনে নাটকীয় এক নকআউট ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজল। প্রথমার্ধে সানোর গোলে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল, তবে বিরতির পর কাসেমিরোর হেডে সমতায় ফেরে আনচেলত্তির দল। এরপর ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর অপেক্ষায়, তখনই ৯৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোল জাপানের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।

ব্রাজিল ২-১ গোলে জিতে শেষ ষোলোতে উঠেছে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের ম্যাচের জয়ী দল।

জাপান লড়াই করেছে, সুজুকি অসাধারণ কিছু সেভ করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধে বেশি নিচে নেমে যাওয়ার মূল্য দিতে হলো তাদের। আর ব্রাজিল দেখাল, নকআউটে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের থামানো সহজ নয়।

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের এশিয়া পোস্ট লাইভ আপডেটে সঙ্গে থাকার জন্য ধন্যবাদ।

৩০ জুন ২০২৬, ০১: ৩৪ এএম
শেষ মুহূর্তে মার্তিনেল্লির গোলে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল

হিউস্টনে অল্পের জন্য বড় অঘটন থেকে বাঁচল ব্রাজিল। বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর রোমাঞ্চকর ম্যাচে জাপানকে ২-১ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। প্রথমার্ধে কাইশু সানোর গোলে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর হেডে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। আর ৯৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অতিরিক্ত সময়ের আগেই জয় এনে দেয়।

ম্যাচের শুরুতে বলের দখলে এগিয়ে থাকলেও প্রথমার্ধে খুব একটা ধার দেখাতে পারেনি ব্রাজিল। ২৯ মিনিটে সেই সুযোগই নেয় জাপান। ব্রাজিলের এলোমেলো পাস ও কাসেমিরোর দুর্বল রক্ষণ সামলানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে জাপানকে এগিয়ে দেন সানো।

বিরতির পর বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। আক্রমণে আরও গতি বাড়ায় ব্রাজিল। কাসেমিরোর সহজ হেড একবার গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেছিল জাপান, তবে ৫৬ মিনিটে আর রক্ষা পায়নি তারা। দূরের পোস্টে হেডে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ১-১ সমতায় ফেরান কাসেমিরো।

এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র প্রায় একক নৈপুণ্যে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিচ্ছিলেন। প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে নেওয়া তার শট দারুণ সেভে পোস্টে লাগিয়ে দেন জাপান গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুজুকিও জাপানকে বাঁচাতে পারেননি। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের পাস থেকে বক্সে ঢুকে দুর্দান্ত ফিনিশিং করেন বদলি নামা মার্তিনেল্লি। সুজুকি হাত ছোঁয়ালেও বল জালে জড়ায়।

শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। ম্যাচে ব্রাজিলের প্রত্যাশিত গোল ছিল ১.৭২, জাপানের ০.২৩। এগিয়ে যাওয়ার পর বেশি নিচে নেমে যাওয়ার মূল্য দিতে হলো জাপানকে। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট বা নরওয়ে।

৩০ জুন ২০২৬, ০১: ০০ এএম
শেষ মুহূর্তে মার্তিনেল্লির গোল, জাপানকে ভেঙে দিল ব্রাজিল

নাটকীয় শেষ মুহূর্তে এগিয়ে গেল ব্রাজিল। ৯৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলে জাপানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচের প্রায় শেষ আক্রমণ থেকেই গোল করে ব্রাজিলকে জয়ের খুব কাছে নিয়ে যান এই ফরোয়ার্ড।

এর আগে বড় ধাক্কা খায় ব্রাজিল। শারীরিক সমস্যার কারণে মাঠ ছাড়তে হয় কাসেমিরোকে। তার বদলে মাঠে নামেন ফাবিনিও। কাসেমিরোর ম্যাচটা ছিল ঘটনাবহুল। দুইটি শট লক্ষ্যে রাখার পাশাপাশি দুইটি পরিষ্কার গোলের সুযোগে যুক্ত ছিলেন তিনি, আর দ্বিতীয়ার্ধে তার হেডেই সমতায় ফিরেছিল ব্রাজিল।

প্রথমার্ধে সানোর গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে ভিন্ন চেহারায় দেখা যায় ব্রাজিলকে। কাসেমিরোর সমতা ফেরানো গোলের পর শেষ দিকে চাপ ধরে রাখে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শেষ পর্যন্ত সেই চাপের পুরস্কার পেল তারা মার্তিনেল্লির শেষ মুহূর্তের গোলে।

৩০ জুন ২০২৬, ১২: ৪৭ এএম
শেষ ভাগে ব্রাজিলের চাপ, অতিরিক্ত সময়ের শঙ্কা

ম্যাচ ঢুকে পড়েছে শেষ ভাগে। ১-১ সমতার পর এখন খেলা প্রায় পুরোপুরি জাপানের অর্ধে। ব্রাজিল আক্রমণের দিক হিসেবে বারবার বাঁ প্রান্ত বেছে নিচ্ছে, যেখানে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অনেক বেশি দায়িত্ব নিয়ে খেলছেন।

৭৩ মিনিটের পর থেকে দ্বিতীয় গোলের খোঁজে চাপ বাড়িয়েছে ব্রাজিল। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ, বক্সে ক্রস এবং দ্রুত বল পুনরুদ্ধার—সব মিলিয়ে আনচেলত্তির দল এখন ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে। জাপান বল পেলেও স্বস্তিতে নেই, বরং বেশির ভাগ সময়ই রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত।

৭৮ মিনিটে বদল এনেছে জাপান। কামাদা ও ইতোকে তুলে তানাকা ও মাচিনোকে নামানো হয়েছে। একই সময়ে ব্রাজিলের হয়ে মার্তিনেল্লির একটি শট বাইরে যায়। খুব ভালো পজিশনে না থাকলেও প্রথম স্পর্শেই শট নিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়াইস বল বিল্ডআপে বড় ভূমিকা রাখছেন। আজ ১০০ পাস পূর্ণ করেছেন ব্রাজিলের এই ডিফেন্ডার। বিশ্বকাপের এক ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে ১০০ বা তার বেশি পাস সম্পন্ন করা দ্বিতীয় খেলোয়াড় তিনি, এর আগে ১৯৯৪ সালে তিনবার এই কীর্তি ছিল দুঙ্গার।

৮০ মিনিটের পরও স্কোরলাইন ১-১। শেষ ৩২-এর এই ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

৩০ জুন ২০২৬, ১২: ৩৪ এএম
ভিনিসিয়ুসের জাদু ঠেকালেন সুজুকি, দুই দিকেই চাপ

সমতায় ফেরার পর ম্যাচের গতি আরও বেড়েছে হিউস্টনে। দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিল যেন নিজেদের ইতিহাস ও জার্সির ভার নিয়ে আক্রমণে ঝাঁপিয়েছে। বিরতির পর আনচেলত্তির দলের প্রতিক্রিয়া ছিল দারুণ, আর ৫৮ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার বড় সুযোগও পেয়েছিল তারা।

বাঁ দিক দিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দারুণ ড্রিবলে প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন। শটও নিয়েছিলেন নিখুঁতভাবেই, কিন্তু জাপান গোলরক্ষক জিওন সুজুকি অসাধারণ সেভ করে বল পোস্টে লাগিয়ে দেন। জাপানকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তিনি।

তবে জাপানও চুপ করে নেই। ৬২ মিনিটে মায়েদার এগিয়ে দেওয়া বলে দ্রুত বেরিয়ে বিপদ সামলান আলিসন। দুই মিনিট পর আয়াসে উয়েদার জোরালো শট প্রথমে ঠিকমতো ধরতে পারেননি ব্রাজিল গোলরক্ষক, পরে দ্বিতীয় চেষ্টায় বল নিয়ন্ত্রণে নেন।

৬৬ মিনিটে বদল এনেছে দুই দলই। ব্রাজিলের হয়ে মাতেউস কুনিয়ার জায়গায় মাঠে এসেছেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। জাপানের হয়ে রিতসু দোয়ান ও কেইতো নাকামুরার বদলে নেমেছেন ইউকিনারি সুগাওয়ারা ও জুন্নোসুকে সুজুকি। এরপর গরমের কারণে আবার হাইড্রেশন ব্রেক দেওয়া হয়েছে।

৩০ জুন ২০২৬, ১২: ২১ এএম
কাসেমিরোর হেডে সমতায় ব্রাজিল

দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়িয়ে অবশেষে সমতায় ফিরল ব্রাজিল। ৫৬ মিনিটে কাসেমিরোর হেডে জাপানের বিপক্ষে স্কোরলাইন ১-১ করেছে কার্লো আনচেলত্তির দল।

সমতায় ফেরার আগেই জাপানকে বড় সতর্কবার্তা দিয়েছিল ব্রাজিল। ৫২ মিনিটে ক্রস থেকে ব্রুনো গিমারায়েসের হেড দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। এরপর ৫৪ মিনিটে আরও বড় সুযোগ পায় ব্রাজিল। দূরের পোস্টে আসা ক্রসে ব্রুনোর হেডের পর কাসেমিরোর প্রচেষ্টা গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন জাপানি ডিফেন্ডার।

তবে বেশিক্ষণ আটকাতে পারেনি জাপান। ৫৬ মিনিটে আরেকটি আক্রমণ থেকে হেডে বল জালে পাঠান কাসেমিরো। প্রথমার্ধে পিছিয়ে থাকা ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যাওয়া ছন্দে ম্যাচে ফিরেছে। এখন নকআউটের লড়াই আবার পুরোপুরি উন্মুক্ত।

৩০ জুন ২০২৬, ১২: ১০ এএম
ফেরার লড়াইয়ে এন্দ্রিককে নামাচ্ছে ব্রাজিল

জাপানের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে নামার আগে বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন কার্লো আনচেলত্তি। ব্রাজিলের আক্রমণে গতি ও ধার বাড়াতে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এন্দ্রিক। রিয়াল মাদ্রিদের তরুণ ফরোয়ার্ড বেঞ্চ থেকে উঠে ওয়ার্মআপ করছেন, শিগগিরই তাকে মাঠে দেখা যেতে পারে।

ব্রাজিলের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন করে তুলছে ইতিহাসও। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সর্বশেষ চারবার আগে গোল হজম করে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি সেলেসাও। ওই চারবারই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের। নকআউটে পিছিয়ে পড়েও ব্রাজিলের শেষ জয় এসেছিল ২০০২ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

হিউস্টনে তাই দ্বিতীয়ার্ধে শুধু সমতায় ফেরাই নয়, ইতিহাসের বিরুদ্ধেও লড়তে হবে ব্রাজিলকে। প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ আক্রমণের পর এন্দ্রিকের আগমন আনচেলত্তির দলের জন্য নতুন গতি আনতে পারে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ৫৩ পিএম
বিরতিতে পিছিয়ে ব্রাজিল, সানোর গোলে এগিয়ে জাপান

হিউস্টনে প্রথমার্ধ শেষে বড় চাপে ব্রাজিল। শেষ ৩২-এর ম্যাচে বিরতিতে ১-০ গোলে এগিয়ে আছে জাপান। ২৯ মিনিটে কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় এশিয়ান দলটি।

প্রথম ১৫ মিনিটে ব্রাজিল কিছুটা চাপ তৈরি করেছিল। মাতেউস কুনিয়ার শট ঠেকান জাপান গোলরক্ষক জিওন সুজুকি, ব্রুনো গিমারায়েসের প্রচেষ্টাও অল্পের জন্য বাইরে যায়। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্রাজিলের আক্রমণ ভোঁতা হয়ে পড়ে। মাঝমাঠ থেকে বল এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে কাসেমিরো, ব্রুনো ও পাকেতারা খুব বেশি প্রভাব রাখতে পারেননি।

অন্যদিকে এগিয়ে যাওয়ার পর জাপান রক্ষণ আরও গুছিয়ে নেয়। ব্রাজিলের উইঙ্গারদের জায়গা না দিয়ে তারা বক্সের সামনে দেয়াল তৈরি করে রাখে। প্রথমার্ধে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ছিল বেশ হতাশাজনক। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে হলে আনচেলত্তির দলকে আক্রমণে অনেক বেশি ধার দেখাতে হবে।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ৪৮ পিএম
বিরতির আগে সময় নষ্ট নয়, ম্যাচের গতি কমাচ্ছে জাপান

প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচের গতি কমিয়ে আনার চেষ্টা করছে জাপান। ১-০ গোলে এগিয়ে থাকা দলটি সুযোগ পেলেই বল নিজেদের দখলে রাখছে, যাতে ব্রাজিল দ্রুত বল ফিরে পেয়ে আক্রমণে উঠতে না পারে।

৪৩ মিনিটের পর থেকে জাপানের পরিকল্পনা আরও পরিষ্কার। তারা অযথা ঝুঁকি নিচ্ছে না, আবার বল পেলে সেটি সহজে ছাড়ছেও না। এতে ব্রাজিলের চাপ তৈরি করার গতি কিছুটা কমে যাচ্ছে।

৪৫ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেছেন জাপানের দাইচি কামাদা। প্রথমার্ধের শেষে যোগ করা হয়েছে চার মিনিট। বিরতির আগে ব্রাজিল সমতায় ফিরতে পারে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ৪২ পিএম
সানোর গোলের পর দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে জাপান

কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর আরও নিচে নেমে সংগঠিত ফুটবল খেলছে জাপান। বলের পেছনে ছুটে না গিয়ে তারা এখন নিজেদের রক্ষণ গুছিয়ে রাখছে, যাতে ব্রাজিলকে জায়গা বের করতে বাড়তি ঝুঁকি নিতে হয়।

৩৬ মিনিট পর্যন্ত আক্রমণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল। তবে জাপানের রক্ষণ যেন দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিজেদের বক্সের আশপাশে সামান্য বিপদ তৈরি হলেই জাপানের খেলোয়াড়রা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দূর থেকে শট নিয়ে চমক দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেটি জাপান গোলরক্ষক জিওন সুজুকির জন্য বড় সমস্যা তৈরি করেনি। এর আগে ব্রাজিলের ফ্রি-কিক থেকেও মারকিনিয়োসের প্রচেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

পরিসংখ্যানে বলছে, বেশি চেষ্টা করেছে ব্রাজিল। পাঁচটি শট নিয়েও এখনও কাঙ্ক্ষিত ফল পায়নি আনচেলত্তির দল। অন্যদিকে জাপান কম সুযোগেই এগিয়ে গেছে। তিন শটের একটি লক্ষ্যে রেখে গোল আদায় করেছে তারা।

সানোর জন্য গোলটি আরও বিশেষ। জাতীয় দলের হয়ে নিজের ১৬তম ম্যাচে এটি তার প্রথম গোল। এর আগে বিশ্বকাপে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন জাপানি মিডফিল্ডার।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ৩৪ পিএম
সানোর দুর্দান্ত গোলে ব্রাজিলের বিপক্ষে এগিয়ে জাপান

২৯ মিনিটে হিউস্টনে বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল। কাইশু সানোর দুর্দান্ত গোলে শেষ ৩২-এর লড়াইয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে জাপান।

এর আগে হলুদ কার্ড দেখা সানোই মাঝমাঠে বল পুনরুদ্ধার করে আক্রমণ শুরু করেন। ব্রাজিলের দুর্বল ক্লিয়ারেন্সের সুযোগ নিয়ে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান তিনি। এরপর বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে বল জালে পাঠান জাপানি মিডফিল্ডার।

শুরুতে ব্রাজিল চাপ তৈরি করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচে জায়গা কমে আসছিল। সেই সুযোগই কাজে লাগাল জাপান। আনচেলত্তির দলের সামনে এখন নকআউটে ফেরার কঠিন পরীক্ষা।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ২৬ পিএম
বিরতির আগে ছন্দ হারাচ্ছে ব্রাজিল, জায়গা দিচ্ছে না জাপান

ম্যাচের প্রথম ভাগে চাপ তৈরি করলেও ২০ মিনিটের পর থেকে বলের সঙ্গে সংযোগ কিছুটা হারাচ্ছে ব্রাজিল। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ গড়ার ক্ষেত্রে কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস ও লুকাস পাকেতার প্রভাব আগের মতো দেখা যাচ্ছে না। ফলে আক্রমণে জায়গা কমে গেছে আনচেলত্তির দলের।

ব্রাজিলের ফুলব্যাকরা ওপরে উঠে প্রস্থ তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তবে জাপান বেশ সতর্ক। বিশেষ করে ব্রাজিলের উইঙ্গারদের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হতে দিচ্ছে না তারা। দুই পাশে কড়া মার্কিংয়ে ভিনিসিয়ুস ও রায়ানকে আটকে রাখার চেষ্টা করছে জাপান।

গরমের কারণে ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক দেওয়া হয়েছে। বিরতিতে যাওয়ার আগে ম্যাচ এখনও গোলশূন্য, তবে শুরুতে ব্রাজিলের চাপ সামলে ধীরে ধীরে নিজেদের রক্ষণ আরও গুছিয়ে নিচ্ছে জাপান।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ১৬ পিএম
সুজুকির সেভে বাঁচল জাপান, ব্রাজিলের চাপ বাড়ছে

১৫ মিনিটের মধ্যে ম্যাচে দুই দলের একজন করে খেলোয়াড় হলুদ কার্ড দেখেছেন। ১২ মিনিটে জাপানের কাইশু সানো হলুদ কার্ড দেখেন। তিন মিনিট পর কার্ড দেখেন ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরোও।

এর মাঝেই এগিয়ে যাওয়ার বড় সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। ১৪ মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। ফিরতি আক্রমণে ব্রুনো গিমারায়েসের প্রথম স্পর্শের শটও দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে যায়।

শুরু থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ বেশি ব্রাজিলের। জাপান লম্বা পাসে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করলেও ব্রাজিল দ্রুত বল ফিরে পাচ্ছে। তবে সুজুকির সতর্কতায় এখনও গোলশূন্য ম্যাচ।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ১৩ পিএম
নিয়ন্ত্রণে ব্রাজিল, সতর্ক জাপান

প্রথম ১০ মিনিটে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বেশি ব্রাজিলের দখলে। জাপানকে লম্বা বল খেলতে বাধ্য করছে তারা, আর নিজেদের অর্ধে সহজেই বল পুনরুদ্ধার করছে।

৭ মিনিটে দূর থেকে নেওয়া ব্রুনো গিমারায়েসের ফ্রি-কিক ধরতে কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। এরপর গিমারায়েসের আরেকটি জোরালো বাঁ-পায়ের শট সতীর্থ লুকাস পাকেতার গায়ে লাগে। পাকেতা মাটিতে পড়ে গেলেও দ্রুত উঠে দাঁড়ান।

১০ মিনিট শেষে ম্যাচ এখনও গোলশূন্য, তবে শুরুটা পরিষ্কারভাবে ব্রাজিলের নিয়ন্ত্রণেই।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ১৩ পিএম
হিউস্টনে বল গড়াল, শুরুতেই ব্রাজিলের চাপ

হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে ব্রাজিল-জাপান শেষ ৩২-এর লড়াই। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্রাজিল। জাপানের বিল্ডআপে ভুলের সুযোগ নিতে দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত আনচেলত্তির দল। বক্সের বাইরে থেকে শট নেন ব্রুনো গিমারায়েস, তবে প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায়।

শুরুতে দুই দলই হাই প্রেসিং করছে। ব্রাজিল নিজেদের পরিচিত চাপ তৈরি করার কৌশলেই এগোচ্ছে, আর জাপানও ব্রাজিলের বিল্ডআপ নষ্ট করতে ওপরে উঠে প্রেস করছে।

২৯ জুন ২০২৬, ১১: ০২ পিএম
কিকঅফ: শুরু ব্রাজিল-জাপান লড়াই

হিউস্টনে শুরু হয়েছে ব্রাজিল-জাপান লড়াই

২৯ জুন ২০২৬, ১০: ৫৭ পিএম
জাপানের একাদশ, ব্রাজিলকে আটকানোর ছক

ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে ৩-৪-২-১ ছকে নামছে জাপান। গোলবারে আছেন জিওন সুজুকি। তিন সেন্টারব্যাকে হিরোকি ইতো, শোগো তানিগুচি ও তাকেহিরো তোমিয়াসু।

মাঝমাঠে রিতসু দোয়ান, কাইশু সানো, আও তানাকা ও দাইচি কামাদা। আক্রমণে থাকছেন কেইতো নাকামুরা, আয়াসে উয়েদা ও জুনিয়া ইতো।

জাপান একাদশ: জিওন সুজুকি, হিরোকি ইতো, শোগো তানিগুচি, তাকেহিরো তোমিয়াসু, রিতসু দোয়ান, কাইশু সানো, আও তানাকা, দাইচি কামাদা, কেইতো নাকামুরা, আয়াসে উয়েদা, জুনিয়া ইতো।

কাগজে-কলমে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও জাপানের শৃঙ্খলিত রক্ষণ ও দ্রুত আক্রমণ ম্যাচের গতিপথ বদলে দিতে পারে। ভিনিসিয়ুসদের থামানোই হবে তাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

২৯ জুন ২০২৬, ১০: ৫৭ পিএম
ব্রাজিলের একাদশ, বেঞ্চে নেইমার

জাপানের বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচের জন্য একাদশ ঘোষণা করেছে ব্রাজিল। গোলবারে আছেন আলিসন বেকার। রক্ষণে দানিলো, ডগলাস সান্তোস, মারকিনিয়োস ও গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়াইস।

মাঝমাঠে কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস ও লুকাস পাকেতা। আক্রমণে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া ও রায়ানকে রেখেছেন কার্লো আনচেলত্তি।

ব্রাজিল একাদশ: আলিসন, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, মারকিনিয়োস, গ্যাব্রিয়েল মাগালিয়াইস, কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা, মাতেউস কুনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

নেইমার শুরু করছেন বেঞ্চ থেকে। বদলি তালিকায় আছেন এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ফাবিনিও, ব্রেমার, অ্যালেক্স সান্দ্রোসহ আরও কয়েকজন।

২৯ জুন ২০২৬, ১০: ৫৭ পিএম
লাইভ ব্লগে স্বাগতম

স্বাগতম। বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর বড় লড়াইয়ে আজ মুখোমুখি ব্রাজিল ও জাপান। হিউস্টনের এনআরজি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে জমে উঠেছে আবহ। মাঠে নামার আগে দুই দলের খেলোয়াড়রাই ওয়ার্মআপে ব্যস্ত।

ব্রাজিল নকআউটে নামছে ফেভারিটের তকমা নিয়ে। আনচেলত্তির দলের আক্রমণে নজর থাকবে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া ও রায়ানের ওপর। অন্যদিকে জাপান চাইবে সংগঠিত ফুটবল ও দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাকে ব্রাজিলকে চাপে ফেলতে।

বৃষ্টির শঙ্কা নেই, তবে গরম থাকতে পারে। সব মিলিয়ে শেষ ৩২-এর এই ম্যাচে অপেক্ষা করছে দারুণ এক লড়াই।