logo

দুই গোলে পিছিয়েও লিভারপুলের রোমাঞ্চকর জয়

দুই গোলে পিছিয়েও লিভারপুলের রোমাঞ্চকর জয়
রিও এনগুমোহা লিভারপুলের হয়ে আলো ছড়ান। ছবি: রয়টার্স

মাত্র আধঘণ্টাতেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল লিভারপুল। ঘরের মাঠ অ্যানফিল্ডে তখন বড় বিপর্যয়ের শঙ্কা। তবে সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়াল ইংলিশ ক্লাবটি। অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের জোড়া গোল আর তরুণ রিও এনগুমোহার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ভিয়ারিয়ালকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে লিভারপুল। সাত গোলের রোমাঞ্চকর এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রাখল আন্দোনি ইরাওলার দল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে অ্যানফিল্ডে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বের তৃতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। শুরুটা ছিল লিভারপুলের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো। চতুর্থ মিনিটেই অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইকের ভুলে গোল হজম করে স্বাগতিকেরা। গোলরক্ষক আলিসন বেকারকে হেডে বল ফেরাতে গিয়ে ভুল করেন ডাচ ডিফেন্ডার। সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভিয়ারিয়ালকে এগিয়ে দেন জর্জেস মিকাউতাদজে।

২৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্প্যানিশ দলটি। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে নাথান সালিবার পাস ধরে বল জালে পাঠান সের্হি কার্দোনা। তবে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরই ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে লিভারপুল।

৩৬ মিনিটে কস্তাস সিমিকাসের কর্নার থেকে হেডে ব্যবধান কমান ম্যাক অ্যালিস্টার। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে সমতা ফেরান রোনাল্ড আরাউহো। ডান প্রান্ত থেকে রিও এনগুমোহার বাড়ানো বলে হেড করে গোল করেন উরুগুয়ের এই ডিফেন্ডার। ফলে ২-২ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লিভারপুল। বিরতির পরই আরাউহোকে তুলে ফ্লোরিয়ান ভির্টজকে মাঠে নামান কোচ ইরাওলা। তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মূল কারিগর ছিলেন ১৮ বছর বয়সী এনগুমোহা।

৬৫ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে বক্সে ঢোকেন এই তরুণ। তার পাস থেকে কাছের দূরত্বে শট নিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ম্যাক অ্যালিস্টার। ম্যাচে প্রথমবার এগিয়ে যায় লিভারপুল।

মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান আরও বাড়ান ভির্টজ। কোডি গাকপোর পাস থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে গোল করেন জার্মান মিডফিল্ডার। এটি ছিল চলতি মৌসুমে ক্লাবের হয়ে তার প্রথম গোল।

৪-২ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও হাল ছাড়েনি ভিয়ারিয়াল। ৮৭ মিনিটে আয়োজে পেরেজের ক্রস থেকে দারুণ ভলিতে গোল করেন তানি ওলুওয়াসেয়ি। শেষ মুহূর্তে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালালেও আর গোলের দেখা পায়নি স্প্যানিশ দলটি।

ম্যাচে নিজে গোল না করলেও লিভারপুলের দুটি গোলে সহায়তা করে আলো কেড়ে নেন এনগুমোহা। সবচেয়ে কম বয়সী লিভারপুল ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলে সহায়তার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।