চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শুরুতেই বায়ার্নের গোলবন্যা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চলতি আসরের প্রথম ম্যাচেই নরওয়ের বোদো/গ্লিমটের জমাট রক্ষণে বারবার আটকে যাচ্ছিল জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখ। কিন্তু বিরতির পর বদলে গেল সবকিছু। মাত্র ৪৫ মিনিটে পাঁচ গোল করে প্রতিপক্ষকে ৫-০ ব্যবধানে উড়িয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুর্দান্ত শুরু করেছে গত আসরের সেমিফাইনালিস্টরা।
বৃহস্পতিবার রাতে আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্নের হয়ে জোড়া গোল করেন মাইকেল ওলিস। একটি করে গোল জামাল মুসিয়ালা, হ্যারি কেইন ও আলফোনসো ডেভিসের।
শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ভিনসেন্ট কোম্পানির দলের। তবে বোদো/গ্লিমটের গোলরক্ষক নিকিতা হাইকিন একের পর এক দুর্দান্ত সেভে হতাশ করেন স্বাগতিকদের। প্রথমার্ধে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করার পর চোটের কারণে বিরতিতে আর মাঠে ফিরতে পারেননি তিনি।
সেই সুযোগ কাজে লাগাতে একেবারেই সময় নেয়নি বায়ার্ন। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর এক মিনিটের মধ্যেই অচলাবস্থা ভাঙেন মুসিয়ালা। ৪৬ মিনিটে তার গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কেইন। ৬০ মিনিটে ইংলিশ স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করে বায়ার্ন। প্রথম দুই গোলের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ে নরওয়ের দলটি।
৭৬ মিনিটে ডেভিসের গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-০। কিন্তু বায়ার্নের গোলক্ষুধা তখনো মেটেনি।
শেষ দশ মিনিটে আলোটা নিজের করে নেন ওলিস। ৮২ মিনিটে দারুণ এক গোলে ব্যবধান চার করেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। যোগ করা সময়ে আবারও জালের দেখা পেয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং বায়ার্নের পঞ্চম গোলটি করেন তিনি।
শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বায়ার্ন। বুন্দেসলিগায় শালকের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের হতাশার পর ইউরোপের মঞ্চে এমন জয় কোম্পানির দলকে এনে দিল স্বস্তিও।
একই রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে অভিষেকটা স্মরণীয় করেছে কোমো। সেস ফাব্রেগাসের দল আরবি লাইপজিগকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে। মার্টিন বাতুরিনা, আনাস্তাসিওস দুভিকাস, আসানে দিয়াও ও মাক্সিমো পেরোনে গোল করেন ইতালিয়ান ক্লাবটির হয়ে। অন্য ম্যাচে নাটকীয় লড়াইয়ে স্লাভিয়া প্রাগকে ৩-২ গোলে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে ফিরেছে ফরাসি ক্লাব লেন্স।


