logo

দুই গোলের লিড হারিয়েও শেষ মুহূর্তে জিতল রিয়াল

দুই গোলের লিড হারিয়েও শেষ মুহূর্তে জিতল রিয়াল
জয় সূচক গোলের পর এসপিকে ঘিরে রিয়াল সতীর্থদের উল্লাস। ছবি: রয়টার্স

দুই গোলে এগিয়ে থেকেও জয় হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় পড়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ পর্যন্ত বদলি নামা কার্লোস এসপির যোগ করা সময়ের গোলে এলচেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েছে হোসে মরিনহোর দল।

মঙ্গলবার এলচের মাঠে ২৫ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল। আরদা গুলারের ফ্রি-কিক পোস্টে লেগে গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরোর গায়ে প্রতিহত হয়ে জালে জড়ায়। আত্মঘাতী গোল হিসেবেই সেটি নথিভুক্ত হয়। আট মিনিট পর ইয়ান দিয়োমান্দের ক্রস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে।

প্রথমার্ধেই তৃতীয় গোলও পেতে পারতেন এমবাপ্পে। তবে বিরতির ঠিক আগে তাঁর একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় রিয়াল।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে পুরো ম্যাচের চিত্র বদলে দেয় এলচে। ৭১ মিনিটে লুকাস সেপেদার ক্রস থেকে হেডে ব্যবধান কমান আবিয়েল ওসোরিও। এরপর ৮৩ মিনিটে রিয়ালের রক্ষণভাগের ভুল কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান ফের নিনিও। দুই গোলের লিড হারিয়ে তখন ড্রয়ের শঙ্কায় অতিথিরা।

শেষ পর্যন্ত রিয়ালের উদ্ধারকর্তা এসপি। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে মাঝমাঠে দারুণভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করে আক্রমণ শুরু করেন জুড বেলিংহাম। তার পাস থেকে ডান দিকে ছুটে যান এমবাপ্পে, ফরাসি তারকার কাটব্যাকে কাছ থেকে বল জালে পাঠান ২১ বছর বয়সী এসপি।

লিগে ছয় ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বার বদলি নেমে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করলেন এসপি। এমবাপ্পের জন্যও ম্যাচটি ব্যক্তিগতভাবে ভালো কেটেছে। লিগে ছয় ম্যাচে তার গোল এখন সাতটি।

তবে জয় পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে দলের নিয়ন্ত্রণ হারানো নিয়ে সন্তুষ্ট নন মরিনিও। ম্যাচের পর রিয়াল কোচ বলেন, ‘গোল খাওয়াটা মূল সমস্যা নয়, সমস্যা হলো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দেওয়া। তারা এমন সময় গোল করেছে, যখন আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলাম।’

এই জয়ে বার্সেলোনার সমান ১৫ পয়েন্ট হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের। তবে বার্সেলোনা এক ম্যাচ কম খেলেছে। অন্যদিকে ছয় ম্যাচেও জয়হীন এলচে ২ পয়েন্ট নিয়ে আছে তলানিতে।