১০০ মিনিটে এমবাপ্পের পেনাল্টিতে রিয়ালের স্বস্তির জয়

লা লিগায় নাটকীয় এক ম্যাচে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা ১০০তম মিনিটে পাওয়া স্পট কিক কাজে লাগিয়ে ২-১ ব্যবধানে জিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখিয়েই এগিয়ে যায় রিয়াল। প্রথমার্ধে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত এক গোল বার্নাব্যুর দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে বল জালে জড়ান ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড। গোলের পর রিয়ালের খেলায় ছন্দ দেখা গেলেও ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে তারা।
রায়ো ভায়েকানো প্রথমার্ধের শেষ দিকে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতায় ফেরে সফরকারীরা। আলভারো গার্সিয়ার তৈরি সুযোগে দে ফ্রুতস জোরালো শটে গোল করে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন রায়োকে। গোলের পর কিছু সময় রিয়ালের রক্ষণভাগে অস্থিরতা দেখা যায়, এমনকি এমবাপ্পে একটি সহজ সুযোগও নষ্ট করেন, যখন খালি পোস্টে বল পাঠাতে গিয়ে ক্রসবারে মারেন।
মাঝমাঠে দানি সেবাইয়োস মাঠে নামার পর কিছুটা ভারসাম্য ফিরে পায় রিয়াল। ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় শেষদিকে, যখন রায়োর মিডফিল্ডার পাথে সিস বিপজ্জনক ট্যাকলের জন্য লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে শেষ মুহূর্তে চাপ বাড়ায় রিয়াল।
ইনজুরি টাইমে ব্রাহিম দিয়াজকে ফাউল করার ঘটনায় পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। ১০০তম মিনিটে দায়িত্ব নেন এমবাপ্পে এবং ঠান্ডা মাথায় গোলরক্ষক বাতালিয়াকে ফাঁকি দিয়ে জয়সূচক গোলটি করেন। এতে সম্ভাব্য ড্র কিংবা হতাশাজনক ফল এড়িয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট তুলে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ।
তবে জয় পেলেও রিয়ালের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এক ঘণ্টার বেশি সময় ছন্দহীন ফুটবল খেলতে হয়েছে তাদের, আর শেষ পর্যন্ত সংখ্যার জোর ও শেষ মুহূর্তের সাহসিকতাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। বড় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন পারফরম্যান্স যথেষ্ট না-ও হতে পারে—এই সতর্কবার্তাও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে ম্যাচটি থেকে।