logo

বিশ্বকাপ থেকে ইরানের সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতে দুশ্চিন্তায় ফিফা

বিশ্বকাপ থেকে ইরানের সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিতে দুশ্চিন্তায় ফিফা

আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইরান সরে দাঁড়াতে পারে এমন ইঙ্গিতে দেশটির ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দোনিয়ামালির মন্তব্যে স্পষ্ট হওয়ায় নতুন করে ভাবনায় পড়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে যার ফলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর আঞ্চলিক সংঘাত শুরু হওয়ায় এমন সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দেন দোনিয়ামালি।

তিনি বলেন, ‘এই দুর্নীতিগ্রস্ত শাসনব্যবস্থা (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে। তাই কোনো অবস্থাতেই আমরা বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারি না।’

যদিও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা আসেনি, তবে ফিফাকে সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রস্তুতি নিতে হতে পারে। বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী কোনো দল টুর্নামেন্ট থেকে সরে গেলে ফিফা চাইলে অন্য একটি দলকে সেই জায়গায় আমন্ত্রণ জানাতে পারে।

ফিফার সাবেক ফুটবল রেগুলেটরি পরিচালক জেমস কিচিংয়ের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, এ ধরনের ঘটনার আধুনিক কোনো নজির নেই। নিয়ম অনুযায়ী ফিফার পূর্ণ স্বাধীনতা আছে চাইলে তারা অন্য কোনো দলকে সুযোগ দিতে পারে, এমনকি একই কনফেডারেশন থেকেও না-ও হতে পারে।

গত বছর এশিয়ান বাছাইপর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে ইরান। তবে তারা সরে দাঁড়ালে এশিয়া থেকেই কোনো দলকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে মনে করা হচ্ছে।

সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইরাকের প্রস্তুতিও ব্যাহত হচ্ছে।

ইরাকের কোচ গ্রাহাম আর্নল্ড প্রস্তাব দিয়েছেন, আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ম্যাচটি বিশ্বকাপের কাছাকাছি সময়ে আয়োজন করা হোক। এতে ফিফাও ইরানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আরও সময় পাবে।

এদিকে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তবে এখনই সম্ভাব্য বিকল্প নিয়ে মন্তব্য করা সময়ের আগে হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সূত্র: রয়টার্স