দাবানলে বিপর্যস্ত মাদ্রিদের পাশে দাড়ালেন মেসি

স্পেনের মাদ্রিদের সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চলে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্গঠনে ৮০ হাজার ইউরো অনুদান দিয়েছেন লিওনেল মেসি বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
আর্জেন্টাইন তারকার অনুদানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন মাদ্রিদের আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াস আয়ুসো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে খবরটি জানিয়ে তিনি বলেন, মাদ্রিদের মানুষ আবারও মেসিকে স্বাগত জানানো এবং তাকে প্রাপ্য করতালি দেওয়ার অপেক্ষায় আছে।
সিয়েরা ওয়েস্তে অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অবকাঠামো, প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম। স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে এখন বড় ধরনের পুনর্গঠন কার্যক্রম প্রয়োজন।
ক্ষতিগ্রস্ত পৌর এলাকাগুলোর পুনর্গঠনের জন্য বিশেষ অনুদান সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে মাদ্রিদের আঞ্চলিক সরকার। নাগরিক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যেন নিরাপদে আর্থিক সহায়তা দিতে পারে, সে জন্য কাইশাব্যাংকের সহযোগিতায় একটি অনলাইন ব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম এএস জানিয়েছে, মেসির আর্থিক সহায়তা শুধু পুনর্গঠন কার্যক্রমেই ভূমিকা রাখবে না, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মনোবল বাড়াতেও সহায়তা করবে। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদের এমন উদ্যোগ অন্যদেরও সহায়তায় এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করতে পারে।
🚨 𝗡𝗘𝗪: Lionel Messi has donated €80,000 to help rebuild the Sierra Oeste region of Madrid.
— The Touchline | 𝐓 (@TouchlineX) August 4, 2026
🗣️ Isabel Díaz Ayuso (President of the Community of Madrid):
I want to thank him and say that the people of Madrid hope to welcome him soon and give him the applause he deserves." pic.twitter.com/QHzWx0Vk6d
এর আগেও বিভিন্ন দুর্যোগ ও সংকটে আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন মেসি। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী কেনার জন্য আর্জেন্টিনার হাসপাতালগুলোকে প্রায় ৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা দেন তিনি। একই বছর বার্সেলোনার হসপিটাল ক্লিনিকসহ স্পেনের কয়েকটি চিকিৎসাকেন্দ্রে আরও প্রায় ১৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছিলেন।
ভ্যালেন্সিয়ায় ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রায় ১৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা দিয়েছিলেন মেসি। ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খেলাধুলা নিয়েও কাজ করে আসছেন তিনি। ২০১০ সাল থেকে জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন আর্জেন্টাইন তারকা।
.png)

-473da7.webp)