গোলকিপারের অদ্ভুত কাণ্ডে ফিক্সিংয়ের গুঞ্জন, ক্লাবের প্রতিবাদ

বাংলাদেশ ফুটবল লিগে ফর্টিস এফসি ও নবাগত চট্টগ্রাম সিটি এফসির ম্যাচের একটি দৃশ্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। চট্টগ্রাম সিটির গোলরক্ষক শান্ত কুমার রায়ের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংয়ের সন্দেহ তুললেও অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ক্লাবটি।
শুক্রবারের ম্যাচে ফর্টিসের জাপানি ফরোয়ার্ড নোরিকি আকাদা একটি শট নিলে বলের গতিপথে হাত বাড়িয়েও শেষ মুহূর্তে যেন সরিয়ে নেন শান্ত। দৃশ্যটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ওই শটের আগেই পেনাল্টি এলাকার ভেতরে একটি ফাউলের জন্য বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। ফলে বল জালে গেলেও সেটি গোল হিসেবে গণ্য হয়নি।
এরপরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোলরক্ষকের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশের ফুটবলে ম্যাচ ম্যানিপুলেশন ও বেটিংয়ের অভিযোগ থাকায় ঘটনাটি নিয়ে সন্দেহ আরও বেড়েছে।
চট্টগ্রাম সিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দলনেতা নাজিম উদ্দিন অবশ্য এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলেছেন। তার দাবি, প্রমাণ ছাড়াই একজন তরুণ গোলরক্ষককে অভিযুক্ত করা অন্যায়।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের বেটিং বা ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত নই। গোলরক্ষক ম্যাচটিই খেলতে চায়নি, কিন্তু আমাদের কোনো বিকল্প ছিল না।’
নাজিম আরও জানান, মাত্র এক দিনের প্রস্তুতি নিয়ে লিগের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছিল চট্টগ্রাম সিটি। আবাসন সমস্যার পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিকল্প খেলোয়াড় না থাকায় দ্বিতীয়ার্ধে দলটি শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে।
প্রথমার্ধে ফর্টিসকে গোলশূন্য রাখলেও বিরতির পর ছয় গোল হজম করে বড় ব্যবধানে হারে নবাগত চট্টগ্রাম সিটি।
এদিকে আগের কয়েক মৌসুমের ম্যাচ ফিক্সিং, বেটিং ও ম্যাচ ম্যানিপুলেশন সংক্রান্ত কয়েকটি তদন্তের ফল এখনো প্রকাশ করেনি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন।
