রিয়ালকে না বলে বার্সায় যাওয়ার কারণ জানালেন রদ্রি
-5b1ccd-720x405.webp)
রিয়াল মাদ্রিদের প্রস্তাব ফিরিয়ে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া সহজ সিদ্ধান্ত ছিল না রদ্রির জন্য। স্পেনের অধিনায়ক নিজেই জানালেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর রিয়াল কোচ হোসে মরিনহোকে ফোন করে আগ্রহ ও আচরণের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন তিনি।
‘মুন্দো দেপোর্তিভো’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গত গ্রীষ্মের দলবদল নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন রদ্রি। তার দাবি, অর্থ নয়, পুরো সিদ্ধান্তটাই নিয়েছিলেন ফুটবলীয় দিক বিবেচনা করে।
রদ্রি বলেন, ‘বিশ্বের সেরা দুই ক্লাবের মধ্যে এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেক কিছু ভাবতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আমি খেলাধুলার দিকটাই দেখেছি—কোথায় আমার প্রেরণা বেশি, কোথায় আমি বেশি জিততে ও খেলোয়াড় হিসেবে আরও উন্নতি করতে পারব।’
রিয়ালকে না বলার সিদ্ধান্ত কতটা কঠিন ছিল, সেটিও লুকাননি বার্সার এই মিডফিল্ডার।
‘সিদ্ধান্তটা মোটেও সহজ ছিল না। রিয়াল মাদ্রিদকে না বলা সহজ নয়, বিশেষ করে তারা আমার সঙ্গে অসাধারণ আচরণ করেছে।’
রদ্রির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছিলেন মরিনহো। পরে বার্সেলোনায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে পর্তুগিজ কোচকে ফোন করেন তিনি।
রদ্রি বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তাকে ফোন করে তাঁর আগ্রহ ও আমার সঙ্গে যেভাবে আচরণ করেছেন, তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছি। আমার কাছে তিনি অসাধারণ কোচ। তিনি যেখানে গেছেন, সেখানেই সেটা প্রমাণ করেছেন। এই লিগে রিয়াল মাদ্রিদ খুব কঠিন প্রতিপক্ষ হবে।’
বার্সেলোনায় তার সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ক্রীড়া পরিচালক ডেকো ও কোচ হানসি ফ্লিক। রদ্রির ভাষায়, ক্লাবটি তাকে বড় অঙ্ক বা বাড়তি চাপ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেনি।
‘বার্সা আমাকে সংখ্যার হিসাব দিয়ে রাজি করাতে চায়নি। পুরো বিষয়টাই ছিল ফুটবলকেন্দ্রিক। তারা খুব স্বাভাবিকভাবে জানিয়েছে, মাঠে ও মাঠের বাইরে আমি কী দিতে পারি। সেই পারিবারিক অনুভূতিটা আমার ভালো লেগেছে।’
ব্যালন ডি’অর নিয়েও কথা বলেছেন রদ্রি। বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডার জানিয়েছেন, বার্সেলোনা লামিন ইয়ামালকে সমর্থন করছে, আর এতে তার কোনো আপত্তি নেই।
রদ্রি বলেন, ‘ক্লাব লামিনকে বেছে নিয়েছে, কারণ তারা মনে করে সে সবচেয়ে যোগ্য। এটা পুরোপুরি বৈধ। এবারের ব্যালন ডি’অরে অনেকেরই জেতার সম্ভাবনা আছে।’
তবে ব্যক্তিগতভাবে কোনো স্প্যানিশ ফুটবলারের হাতে পুরস্কারটি দেখতে চান তিনি।
‘আমি চাই একজন স্প্যানিশ খেলোয়াড় জিতুক। স্প্যানিশ ফুটবল স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। বিশ্বকাপ জেতার চেয়ে বড় কিছু নেই, আর আমরা যেভাবে জিতেছি, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।’


