এমবাপ্পের সামনে ১২ ম্যাচ, দরকার ১১ গোল

রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকের পর রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলসংখ্যা এখন ৮৯। শততম গোল থেকে আর ১১ ধাপ দূরে ফরাসি তারকা। সেই ১১ গোলের জন্য তার সামনে আপাতত ১২ ম্যাচের একটি বিশেষ সময়সীমা।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কার হিসাবে, আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে শততম গোলটি করতে হলে নয়টি লা লিগা ও তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ ম্যাচ পাবেন এমবাপ্পে। তবে প্রশ্ন উঠতে পারে কেন এই ২ নভেম্বরের সময়সীমা। এই তারিখটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে রিয়ালের আরেক কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর একটি স্মরণীয় রেকর্ড।
২০১১ সালের ২ নভেম্বর চ্যাম্পিয়নস লিগে লিওঁর বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন রোনালদো। ম্যাচে তার দ্বিতীয় গোলটি ছিল রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে শততম। পর্তুগিজ তারকা মাইলফলকটি ছুঁয়েছিলেন ক্লাবের হয়ে নিজের ১০৫তম ম্যাচে।
কাকতালীয়ভাবে এমবাপ্পেও এখন পর্যন্ত রিয়ালের হয়ে খেলেছেন ১০৫ ম্যাচ। তবে রোনালদো যেখানে এই পর্যায়ে শততম গোল করে ফেলেছিলেন, সেখানে এমবাপ্পে পিছিয়ে রয়েছেন ১১ গোলে।
তাই ম্যাচসংখ্যার হিসাবে রোনালদোর রেকর্ড ভাঙার সুযোগ এমবাপ্পের আর নেই। মার্কার নির্ধারিত ২ নভেম্বরের লক্ষ্যটি মূলত তৃতীয় মৌসুমে রোনালদোর শতক ছোঁয়ার তারিখকে কেন্দ্র করে করা সময়ভিত্তিক তুলনা। ওই দিনের আগেই ১০০ গোল করলে অন্তত একই মৌসুমের সময়সীমায় রোনালদোকে পেছনে ফেলতে পারবেন এমবাপ্পে।
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে সবচেয়ে কম ম্যাচে ১০০ গোলের রেকর্ড এখনো রোনালদোর। তবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে একটি ক্লাবের হয়ে দ্রুততম শতকের সামগ্রিক রেকর্ডটি এখন হ্যারি কেইনের। ২০২৫ সালে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ১০৪ ম্যাচে ১০০ গোল করে রোনালদো ও আর্লিং হলান্ডের ১০৫ ম্যাচের রেকর্ড ভেঙেছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক।
রিয়ালে আসার পর থেকেই দ্রুতগতিতে গোল করে চলেছেন এমবাপ্পে। প্রথম মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেন ৪৪ গোল, যার ৩১টি ছিল লা লিগায়। জিতেছিলেন ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু। পরের মৌসুমে চার প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার গোল ছিল ৪২টি। দল ট্রফি না পেলেও টানা দ্বিতীয়বার পিচিচি ট্রফি জেতেন তিনি।
নতুন মৌসুমে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক তাকে পৌঁছে দিয়েছে ৮৯ গোলে। এখন ১২ ম্যাচে ১১ গোলের কঠিন সমীকরণ। নিজের পরিচিত গতিতে ছুটতে পারলে ২ নভেম্বরের আগেই রিয়ালের শত গোলের ক্লাবে ঢুকে যেতে পারেন এমবাপ্পে।



