logo

ঋতুপর্ণা-মনিকাকে প্রশংসায় ভাসালেন চীনের কোচ

ঋতুপর্ণা-মনিকাকে প্রশংসায় ভাসালেন চীনের কোচ

বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে জয় পেলেও দলের পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি আত্মতুষ্ট নন চীনের কোচ আন্তে মিলিচিচ। উল্টো ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের কয়েকজন ফুটবলারের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের প্রশংসা করেন এবং একই সঙ্গে নিজের দলের প্রত্যাশা-বাস্তবতার ফারাকও স্বীকার করেন।

মিলিচিচ বলেন, বাংলাদেশ তরুণ দল হলেও তারা সংগঠিত ও আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। বিশেষ করে মাঝমাঠ ও উইংয়ে কয়েকজন খেলোয়াড় তার নজর কেড়েছেন। নম্বর ৬ মনিকা চাকমা, নম্বর ৮ মারিয়া মান্দা এবং নম্বর ১৭ ঋতুপর্ণা চাকমার পারফরম্যান্স আলাদা করে উল্লেখ করেন তিনি। কোচের ভাষায়, ‘ওরা চাপমুক্তভাবে খেলেছে এবং ব্যক্তিগত দক্ষতায় নিজেদের প্রমাণ করেছে।’

বাংলাদেশের গোলরক্ষক নির্বাচনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে। নিয়মিত গোলরক্ষক রুপনা চাকমাকে বাইরে রেখে তরুণ মিলি আক্তারকে সুযোগ দেন কোচ পিটার বাটলার। এ সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করে মিলিচিচ বলেন, ‘শুরুর একাদশ দেখে অবাক হয়েছিলাম। তবে যে গোলরক্ষক খেলেছে, সে অসাধারণ কিছু সেভ করেছে।’

র‌্যাংকিং ও অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকা চীনের জন্য ম্যাচটি কাগজে সহজ মনে হলেও মাঠে বাংলাদেশ কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তোলে। বিশেষ করে প্রথমার্ধে ভিএআরে একটি গোল বাতিল হওয়া এবং শেষদিকে গোলরক্ষকের কয়েকটি দৃঢ় সেভ ম্যাচকে প্রতিযোগিতামূলক রাখে।

ম্যাচসেরা খেলোয়াড় জ্যাং সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দলের ওপর প্রত্যাশা অনেক বেশি থাকায় প্রতিটি ম্যাচেই মান ধরে রাখার চাপ থাকে। তার মন্তব্য, ‘আমরা জয় পেয়েছি, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তবে উন্নতির জায়গা রয়েছে।’