logo

ভিনির গোলে শেষ ষোলোতে রিয়াল

ভিনির গোলে শেষ ষোলোতে রিয়াল

কাজটা শেষ পর্যন্ত ঠিকই সেরে ফেলল রিয়াল মাদ্রিদ। শুরুটা ছিল দুশ্চিন্তার, মাঝপথে ধাক্কাও ছিল। কিন্তু শেষ হাসি হাসল তারা—২-১ ব্যবধানে হারাল মরিনহোর বেনফিকাকে (দুই লেগ মিলিয়ে ফল ৩-১) এবং জায়গা করে নিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোয়। রিয়ালের জয়ের নায়ক সেই পরিচিত নাম—ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় বেনফিকা। রাফা সিলভার গোলে হঠাৎ নীরব হয়ে পড়ে গ্যালারি। প্রতিরক্ষায় কিছুটা অস্থিরতা আর মাঝমাঠে গতি হারানো—সব মিলিয়ে রিয়ালের শুরুটা ছিল অস্বস্তিকর।

তবে সেই চাপ বেশিক্ষণ টেকেনি। দুই মিনিট পরই সমতা ফেরান চুয়ামেনি। ফেদেরিকো ভালভার্দের বুদ্ধিদীপ্ত পাস থেকে দূরপাল্লার নিখুঁত শটে জাল কাঁপান তিনি। গোলটি রিয়ালকে শুধু ম্যাচে ফেরায়নি, আত্মবিশ্বাসও ফিরিয়ে দেয়।

মাঝেমধ্যে পাল্টা আক্রমণে বিপদ তৈরি করলেও বেনফিকাকে বারবার ঠেকিয়েছেন গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। অন্যদিকে মাঝমাঠে ভালভার্দে ও চুয়ামেনি ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন। এমবাপ্পে অনুপস্থিত থাকায় আক্রমণে ধার কম ছিল, তবে দ্বিতীয়ার্ধে গতি বাড়ায় রিয়াল।

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে আবারও ভালভার্দের পাস। এবার সামনে শুধু গোলরক্ষক। সুযোগ হাতছাড়া করেননি ভিনিসিয়ুস। গোল করে কর্নার ফ্ল্যাগের পাশে নেচে উদ্‌যাপন—লিসবনের স্মৃতি যেন ফিরে এলো বার্নাব্যুতেও। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় রিয়ালের অগ্রযাত্রা।

তবে শেষ দিকে বড় ধাক্কা আসে আসেনসিওর ইনজুরিতে। ভয়াবহ সংঘর্ষের পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন তিনি, গলায় সাপোর্ট বেঁধে। রিয়ালের রক্ষণভাগ আগেই চাপে, তার ওপর এই চোট নতুন উদ্বেগ যোগ করেছে।

শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। তবে সামনে অপেক্ষা আরও বড় পরীক্ষা—স্পোর্টিং অথবা ম্যানচেস্টার সিটি। রিয়াল জানে, সেখানকার চ্যালেঞ্জে টিকে থাকতে হলে আরও ধারালো হতে হবে। তবে এই রাতে, শেষ ষোলোয় যাওয়ার টিকিটটি ভিনির নামেই লেখা রইল।