দ্বিতীয় পর্তুগিজ হিসেবে পিএফএ বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন ব্রুনো
-66b74a-720x405.webp)
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ব্রুনো ফার্নান্দেজ জিতেছেন ২০২৫-২৬ মৌসুমের পিএফএ বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে ইংলিশ ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত স্বীকৃতিটি পেয়েছেন পর্তুগিজ এই তারকা।
প্রিমিয়ার লিগে গত মৌসুমে রেকর্ড ২১টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন ব্রুনো। পাশাপাশি নিজে করেছেন ৯ গোল। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড লিগ শেষ করেছে তৃতীয় স্থানে।
এই পুরস্কার জিতে স্বদেশি কিংবদন্তি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পাশে নাম লিখিয়েছেন ব্রুনো। রোনালদোর পর দ্বিতীয় পর্তুগিজ ফুটবলার হিসেবে পিএফএ বর্ষসেরা হলেন তিনি। ইউনাইটেডে খেলার সময় ২০০৭ ও ২০০৮ সালে টানা দুবার এই পুরস্কার জিতেছিলেন রোনালদো।
ব্রুনোর সাফল্যে পিএফএ বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জয়ের তালিকায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আধিপত্যও আরও বেড়েছে। ক্লাবটির ফুটবলাররা রেকর্ড ১২ বার এই স্বীকৃতি পেয়েছেন।
ইউনাইটেড কোচ মাইকেল ক্যারিকের অধীনে আক্রমণভাগে বাড়তি স্বাধীনতা পেয়েছিলেন ব্রুনো। সেই স্বাধীনতাই তার সেরাটা বের করে এনেছে বলে মনে করেন ক্যারিক।
ব্রুনোকে নিয়ে ইউনাইটেড কোচ বলেন, ‘সে ম্যাচে বিশেষ মুহূর্ত তৈরি করতে পারে। ফুটবল নিয়ে সে খুবই বুদ্ধিমান। মাঠে স্বাধীনতা পেলে সেটি তার স্বাভাবিক ফুটবলীয় চিন্তার সঙ্গে দারুণভাবে মানিয়ে যায়।’
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ব্রুনোর গোল এখন ১১০টি, সহায়তা ১০৬টি। ক্লাবটির হয়ে ৩১৪ ম্যাচে ২০০ গোলে সরাসরি অবদান রাখার মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগ যুগে ইউনাইটেডের হয়ে তার চেয়ে দ্রুত এই কীর্তি গড়েছেন শুধু ওয়েইন রুনি। ইংলিশ কিংবদন্তি ২৯৫ ম্যাচে মাইলফলকটি ছুঁয়েছিলেন।
এবারের পিএফএ বর্ষসেরা একাদশেও জায়গা পেয়েছেন ব্রুনো। তার সঙ্গে মাঝমাঠে আছেন আর্সেনালের ডেকলান রাইস ও ম্যানচেস্টার সিটির রায়ান শেরকি। বর্ষসেরা তরুণ খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন সিটির নিকো ও’রাইলি।
নারীদের পিএফএ বর্ষসেরা হয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির খাদিজা শ। উইমেন্স সুপার লিগে ২১ গোল করা এই ফরোয়ার্ড দ্বিতীয়বার পুরস্কারটি জিতলেন।



