logo
Advertisement

জাতীয় দলকে বিদায় বললেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা

জাতীয় দলকে বিদায় বললেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী তারকা
বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে মার্কোস ইয়োরেন্তে। ছবি: এএফপি

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ এখনো পুরোপুরি কাটেনি স্পেনের। এর মধ্যেই চমকে দেওয়া সিদ্ধান্ত জানালেন মার্কোস ইয়োরেন্তে। মাত্র ৩১ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন আতলেটিকো মাদ্রিদের এই ফুটবলার।

Advertisement

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। বিশ্বজয়ের পর বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় জাতীয় দলের সঙ্গে পথচলা শেষ করার কথা জানান ইয়োরেন্তে।

স্পেনের হয়ে ২৭টি ম্যাচ খেলেছেন এই বহুমুখী ফুটবলার। একটি ইউরো ও দুটি বিশ্বকাপে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। ২০২০ সালে লুইস এনরিকের অধীনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে তার সিনিয়র আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল। আমস্টারডামের সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।

মিডফিল্ডার হিসেবে পরিচিত হলেও স্পেনের হয়ে নিয়মিত ডান প্রান্তের রক্ষণে খেলেছেন ইয়োরেন্তে। সর্বশেষ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেও মূল একাদশে ছিলেন তিনি। পরে অবশ্য পেদ্রো পোরোর কাছে জায়গা হারান।

সর্বশেষ ইউরোর দলে জায়গা হয়নি ইয়োরেন্তের। ডান প্রান্তের রক্ষণে দানি কারভাহাল ও হেসুস নাভাসকে বেছে নিয়েছিলেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। পরে আবার জাতীয় দলে ফিরে বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নেন ইয়োরেন্তে। শেষ পর্যন্ত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েই স্পেন অধ্যায়ের ইতি টানলেন তিনি।

বিদায়ী বার্তায় ইয়োরেন্তে লিখেছেন, ‘অনেক ভেবেচিন্তে জাতীয় দলের সঙ্গে আমার পথচলা শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি জানি, এখনো আমার বয়স কম। ভালো খেলতে থাকলে হয়তো আরও কয়েক বছর এই জার্সিতে খেলার সুযোগ ছিল।’

তার সিদ্ধান্ত সবাই বুঝতে পারবেন না বলেও স্বীকার করেছেন ইয়োরেন্তে, ‘আমি জানি, অনেকেই বিষয়টি বুঝবেন না। বাইরে থেকে দেখলে হয়তো আমিও বুঝতাম না। তবে এটি একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। অনেক চিন্তাভাবনা করে এবং হৃদয় থেকে সিদ্ধান্তটি নিয়েছি।’

বিশ্বকাপের ফল তার অবসরের সিদ্ধান্তে কোনো প্রভাব ফেলেনি বলেও জানিয়েছেন তিনি। ইয়োরেন্তের ভাষায়, ‘বিশ্বকাপে সুযোগ পাই বা না পাই, আমরা শিরোপা জিতি বা না জিতি, এই সিদ্ধান্ত আমি আগেই নিয়েছিলাম।’

জাতীয় দলের সতীর্থ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরও লিখেছেন, ‘এই পথচলায় যাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে এবং যারা আমার পরিবার ও আমাকে অসাধারণ কিছু মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সব স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি, বিশেষ করে শেষ ৫২ দিনের স্মৃতি। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা এবং এই ইতিহাসের অংশ হতে পারা ছিল সম্মানের।’