logo

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নিতে চেয়েও সিদ্ধান্ত বদলালেন এক ইরানি ফুটবলার

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয় নিতে চেয়েও সিদ্ধান্ত বদলালেন এক ইরানি ফুটবলার

অস্ট্রেলিয়ায় আশ্রয়ের আবেদন করার পর সিদ্ধান্ত বদলে নিজ দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইরান নারী ফুটবল দলের এক সদস্য। অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক বুধবার (১১ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে দলটির পাঁচ ফুটবলারকে মানবিক ভিসা দেওয়ার ঘোষণা দেয় অস্ট্রেলিয়া সরকার। পরে আরও দুই সদস্য; একজন খেলোয়াড় ও একজন সাপোর্ট স্টাফ আশ্রয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেছিলেন। তবে তাদের একজন পরে মত পরিবর্তন করে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

টনি বার্ক জানান, অস্ট্রেলিয়ায় প্রত্যেকের নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা রয়েছে এবং চাইলে কেউ সেই সিদ্ধান্ত বদলাতেও পারেন। তাই ওই সদস্যের দেশে ফেরার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যেসব খেলোয়াড় অস্ট্রেলিয়ায় থাকতে চান তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাকিদের একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কারণ দলের একজন সদস্য ইরানি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করায় তাদের অবস্থান প্রকাশ হয়ে যায়।

অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশের সহায়তায় দলের আরও দুই সদস্য ২১ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড মোহাদ্দেসে জোলফি এবং সাপোর্ট স্টাফ জাহরা সোলতান মশকেহকার দলের অন্য সদস্যদের নজরদারি এড়িয়ে বের হয়ে আসেন এবং আশ্রয়ের আবেদন করেন।

এশিয়ান কাপে অংশ নিতে অস্ট্রেলিয়ায় গিয়েছিল ইরান নারী দল। টুর্নামেন্ট চলাকালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে খেলোয়াড়দের ‘যুদ্ধকালীন বিশ্বাসঘাতক’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে।

অস্ট্রেলিয়া ছাড়ার আগে সিডনি বিমানবন্দরে কর্মকর্তারা দলের সদস্যদের আলাদা করে তাদের সম্ভাব্য বিকল্পগুলো জানিয়ে দেন। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানো বাকি সদস্যরা সবাই শেষ পর্যন্ত ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

বর্তমানে দলটি মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছে এবং সেখান থেকে ইরানে ফেরার কথা রয়েছে। 

সূত্র: রয়টার্স