ফাইনালকেই শেষ ম্যাচ ধরে নিয়েছিলেন মেসি: পারেদেস

স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালই কি আর্জেন্টিনার জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ হয়ে থাকল? মেসি নিজে এখনো উত্তর না দিলেও তার ঘনিষ্ঠ সতীর্থ লিয়ান্দ্রো পারেদেস জানিয়েছেন, জাতীয় দলের হয়ে সেটিই শেষ ম্যাচ হবে বলে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
কোপা সুদামেরিকায় ও’হিগিন্সের বিপক্ষে বোকা জুনিয়র্সের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন পারেদেস। সেখানে মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কষ্ট হচ্ছে। কারণ পুরো বিশ্বকাপজুড়েই আমরা বলেছি, শেষ ম্যাচটি এসে যাক, তা আমরা চাইনি। আমার মনে হয়, জাতীয় দলের হয়ে সেটিই লিওর শেষ ম্যাচ হবে, এমন সিদ্ধান্ত সে আগেই নিয়েছিল।’
তবে মেসির সিদ্ধান্ত এখনো বদলে যেতে পারে বলেও আশা করছেন পারেদেস। তিনি বলেন, ‘আশা করি, সেটি তার শেষ ম্যাচ ছিল না। আশা করি, সে খেলা চালিয়ে যেতে পারবে। সিদ্ধান্তটা তারই। তাকে যে সিদ্ধান্ত আনন্দ দেবে, সেটিই নিশ্চিতভাবে আমাদেরও আনন্দ দেবে।’
দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা দলে একসঙ্গে খেলছেন মেসি ও পারেদেস। প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়েও সতীর্থ ছিলেন তারা। মাঠের বাইরেও মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের একজন পারেদেস। তাই আর্জেন্টিনা অধিনায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
১৯ জুলাই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হারে আর্জেন্টিনা। ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলে শিরোপা হারায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।
মেটলাইফ স্টেডিয়াম ছাড়ার সময় নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো কথা বলেননি মেসি। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্বকাপের স্মৃতি ও ফাইনালের পরাজয়ের কষ্ট নিয়ে লিখলেও জাতীয় দল থেকে অবসরের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেননি তিনি। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনও তার অবসরের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
ফলে পারেদেসের বক্তব্যকে মেসির অবসরের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তার কথায় বোঝা যায়, বিশ্বকাপ ফাইনালকে শেষ ম্যাচ ধরে নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন মেসি। তবে সেই সিদ্ধান্তে তিনি অটল থাকবেন কি না, সেটি এখনো অনিশ্চিত।
নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেননি ৩২ বছর বয়সী পারেদেস। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের পর সবকিছু ভেবে এবং কোচের সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের সবচেয়ে বড় অপেক্ষা এখন মেসির মুখ থেকে তার ভবিষ্যৎ শোনা
.png)






