ইংল্যান্ডের সাত গোল, ইতিহাসের সবচেয়ে বড় হার ক্রোয়েশিয়ার

ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে হেরে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয় দেখল ক্রোয়েশিয়া। শনিবার রিয়েকায় প্রথমার্ধে চার গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল করেছে টমাস টুখেলের দল। উয়েফা নেশনস লিগে ইংল্যান্ডেরও এটিই সবচেয়ে বড় জয়।
হ্যারি কেইন ও বুকায়ো সাকা করেছেন দুটি করে গোল। একটি করে গোল জুড বেলিংহাম, অ্যান্থনি গর্ডন ও বদলি নামা মরগান রজার্সের। তবে শুধু গোলদাতাদের তালিকা দিয়ে বেলিংহামের অবদান বোঝা যাবে না। নিজে জাল খুঁজে নেওয়ার পাশাপাশি সতীর্থদের তিনটি গোলেও সহায়তা করেছেন তিনি।
এত বড় জয়ের পরও অবশ্য গ্রুপে স্পেনের পেছনেই আছে ইংল্যান্ড। ‘এ’ লিগের ৩ নম্বর গ্রুপে তিন ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তারা। একই রাতে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৩-১ গোলে হারানো স্পেন পূর্ণ নয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে।
ইংল্যান্ডের আক্রমণের সামনে ক্রোয়েশিয়ার অসহায়ত্ব ধরা পড়ে অষ্টম মিনিটেই। বেলিংহামের পাস ধরে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন কেইন। ২১ মিনিটে গোলদাতা বেলিংহাম নিজেই। সাকার ক্রস থেকে গর্ডন বল ফিরিয়ে দেন গোলমুখে, কাছ থেকে সেটি জালে পাঠান এই মিডফিল্ডার।
৩৯ মিনিটে জ্যারেল কোয়ানসার ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে তৃতীয় গোল করেন গর্ডন। এরপর একটি গোল শোধের ভালো সুযোগ পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে কাটিয়েও কাছ থেকে বল বাইরে মারেন মাতেও কোভাচিচ। সেই সুযোগ নষ্টের পর বিরতির আগেই আরেকটি গোল খায় স্বাগতিকেরা। বেলিংহামের পাস থেকে সাকা ব্যবধান করেন ৪-০।
বিরতির পরও গোলের খোঁজ থামায়নি ইংল্যান্ড। ৫৩ মিনিটে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের ক্রসে পা ছুঁইয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কেইন। ৬৮ মিনিটে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণের ভুলের সুযোগ নিয়ে কেইনের পাস থেকে দ্বিতীয় গোল পান সাকাও। শেষ দিকে বেলিংহামের বাড়ানো বল ধরে গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচকে কাটিয়ে রজার্স গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৭-০। তখন ম্যাচের ৮৭ মিনিট।
ম্যাচ শেষে কেইন বলেন, ‘আমাদের গতি, জায়গা বদল আর দৌড়ের সঙ্গে ওরা পেরে ওঠেনি।’ ইংল্যান্ড অধিনায়কের মতে, বল পায়ে থাকুক বা না থাকুক, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য ধরে রাখার যে লক্ষ্য ছিল তাদের, এই ম্যাচে সেটি পূরণ হয়েছে।
