এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়োকে উড়িয়ে দিল রিয়াল

প্রথমার্ধে তিন গোলেই জয়ের ভিত গড়ে ফেলেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। বিরতির পর রায়ো ভায়েকানো কিছুটা চাপ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে হোসে মরিনহোর দল। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে লা লিগায় রায়োকে ৪–১ ব্যবধানে হারিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।
শনিবার সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রিয়ালের অন্য দুটি গোল করেন আলভারো কারেরাস ও জুড বেলিংহাম। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট হলো মাদ্রিদের ক্লাবটির। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনার পয়েন্টও ১২।
ম্যাচের ১৪ মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। বক্সের ভেতরে কারেরাসকে ফাউল করেন ফ্লোরিয়ান লেজুন। পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন এমবাপ্পে।
তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কারেরাস নিজেই। এবারও আক্রমণের কেন্দ্রে সেই দুজন। বক্সের মধ্যে এমবাপ্পের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে জালে পাঠান স্প্যানিশ ডিফেন্ডার।
৩৫ মিনিটে তৃতীয় গোল পায় রিয়াল। বের্নার্দো সিলভা ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সমন্বয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে ভিনিসিয়ুসের পাস ধরে গোল করেন বেলিংহাম। বিরতির আগে এমবাপ্পের আরেকটি শট পোস্টে লাগলে ব্যবধান আর বাড়েনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দেয় রায়ো। পেদ্রো দিয়াসের শট পোস্টে লাগার পর ৫১ মিনিটে একটি গোল শোধ করেন সের্হিও কামেলো।
তবে আর ব্যবধান কমাতে পারেনি সফরকারীরা। যোগ করা সময়ে আর্দা গুলেরের পাস থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করে রিয়ালের বড় জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে ছয় ম্যাচে সাত গোল হলো ফরাসি তারকার। বার্নাব্যুতে মৌসুমের চার ম্যাচের সব কটিতেই জিতল রিয়াল।
ম্যাচ শেষে প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি জানান মরিনহো। চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচের পর দ্বিতীয়ার্ধে দলের শারীরিক ও মানসিক শক্তি কিছুটা কমে যেতে পারে, এমন আশঙ্কা তার আগে থেকেই ছিল।
রিয়াল কোচ বলেন, ‘লক্ষ্য ছিল শুরু থেকেই জোরালোভাবে খেলে দ্রুত ম্যাচের জয় নিশ্চিত করা। আমরা সেটা করতে পেরেছি।’


