দুই গোলে নেইমারের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন

নেইমার যখন মাঠে নামলেন, সান্তোস তখন দুই গোল পিছিয়ে। সেখান থেকে শেষ দিকে দুই পেনাল্টি কাজে লাগিয়ে দলকে হারের হাত থেকে বাঁচিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। পাঁচ সপ্তাহ পর তার ফেরার ম্যাচে লিগের শীর্ষ দল ফ্লামেঙ্গোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে সান্তোস।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (৯ অক্টোবর) ভোরে ভিলা বেলমিরোয় ব্রাজিলিয়ান লিগের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়। ডান ঊরুর চোটে গত ২ সেপ্টেম্বরের পর আর খেলতে পারেননি নেইমার। ফেরার ম্যাচে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন তিনি। বিরতিতে ফিলিপে কুতিনিয়োর জায়গায় তাকে নামান সান্তোস কোচ কুকা।
এর আগে প্রথমার্ধের শেষ দিকে পরপর দুই গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ফ্লামেঙ্গো। ৪৩ মিনিটে পেদ্রোর সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে দলকে এগিয়ে দেন দানিলো। যোগ করা সময়ে হোর্হে কারাসকালের ক্রসে হেড করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লুকাস পাকেতা।
সান্তোসের ফেরার সুযোগ আসে দ্বিতীয়ার্ধে জর্জিনিয়োর হাতে বল লাগার ঘটনায়। প্রথমে বক্সের বাইরে ফ্রি কিক দিয়েছিলেন রেফারি, সঙ্গে হলুদ কার্ড। পরে ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেন এবং জর্জিনিয়োকে লাল কার্ড দেখান। ৮১ মিনিটে সেই পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান নেইমার।
🤯🇧🇷 SANTOS PERDÍA 2-0 VS FLAMENGO PERO LO EMPATÓ CON UN DOBLETE DE NEYMAR DE PENAL. https://t.co/k0OoQw48v9
— Ataque Futbolero (@AtaqueFutbolero) October 9, 2026
ছয় মিনিট পর আবারও পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। এবার বক্সের মধ্যে গাবিগোলকে ফেলে দেন লুইজ আরাউজো। দ্বিতীয় সুযোগটিও কাজে লাগান নেইমার। দশজনের ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে শেষ দিকে জয়ের চেষ্টা করলেও সমতা ভাঙতে পারেনি সান্তোস।
ম্যাচ শেষে ব্রাজিলিয়ান সম্প্রচারমাধ্যম প্রিমিয়েরেকে নেইমার বলেন, ‘আমার মনে হয়, প্রথম গোলের পর আমরা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলাম। আরও ভালো ফল পেতে পারতাম।’ তবে প্রতিপক্ষের প্রশংসা করে ফ্লামেঙ্গোকে দেশের সেরা দলও বলেছেন তিনি।
চোট থেকে ফিরছেন বলে ম্যাচে জোরে শট নেওয়ার ঝুঁকি নেননি নেইমার। একই কারণে দূরপাল্লার পাসও এড়িয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।
এই ড্রয়ে সান্তোসের পয়েন্ট হয়েছে ৪২, অবস্থান অষ্টম। লিগে টানা আট ম্যাচ অপরাজিত আছে কুকার দল। আর দুই গোলের লিড হারিয়েও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফ্লামেঙ্গো।
