logo

লিভারপুল-ম্যানসিটি ম্যাচ ঘিরে ১০ জন গ্রেপ্তার, আহত পুলিশ সদস্য

লিভারপুল-ম্যানসিটি ম্যাচ ঘিরে ১০ জন গ্রেপ্তার, আহত পুলিশ সদস্য
লিভারপুল-ম্যানসিটি ম্যাচের দৃশ্য। ছবি: রয়টার্স

মাঠে লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে অ্যানফিল্ডের সেই ম্যাচ ঘিরে মাঠের বাইরেও কম উত্তেজনা ছড়ায়নি। দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশের মধ্যেই বিভিন্ন ঘটনায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একজন পুলিশ সদস্যের মুখে গুরুতর আঘাতও লেগেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছে ইংল্যান্ডের মার্সিসাইড পুলিশ। রোববার অ্যানফিল্ডে লিভারপুল ও ম্যানসিটির প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচ ঘিরে নিরাপত্তা কার্যক্রম চলাকালে ওই ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফুটবলের অতীতের মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে বিদ্রূপমূলক স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একজনকে পুলিশ সদস্যের ওপর দুবার হামলার সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া মাতাল অবস্থায় বিশৃঙ্খলা ও হামলার অভিযোগে একজন, সংঘর্ষে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজন এবং মাঠে বস্তু ছোড়ার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ম্যাচ শেষে স্টেডিয়াম থেকে সমর্থকেরা বেরিয়ে যাওয়ার সময় আহত হন ওই পুলিশ সদস্য। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটের দিকে অ্যানফিল্ড রোডে একজনকে গ্রেপ্তারের সময় তার মুখে গুরুতর আঘাত লাগে।

ঘটনাগুলোর তদন্ত শুরু করেছে মার্সিসাইড পুলিশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের আশপাশের সিসিটিভি ও সমর্থকদের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও পর্যালোচনা করছেন তদন্তকারীরা।

ম্যানসিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের রায় ঘিরে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল ম্যাচটিকে কেন্দ্র করে। প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দায়ে ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করেছে স্বাধীন কমিশন। যদিও সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে ম্যানসিটি।

রোববার অ্যানফিল্ডে পৌঁছানোর পর থেকেই লিভারপুল সমর্থকদের তীব্র বিদ্রূপের মুখে পড়তে হয় ম্যানসিটিকে। গ্যালারিতে ক্লাবটিকে ‘প্রতারক’ বলে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যানারও প্রদর্শন করা হয়।

তবে মাঠের খেলায় এসবের প্রভাব পড়তে দেননি আর্লিং হালান্ডরা। লিভারপুলকে ৩-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা ষষ্ঠ জয় তুলে নেয় ম্যানসিটি।

এদিকে গ্রেপ্তারের ঘটনাগুলোর তদন্ত এখনো চলছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে ফুটবল ক্লাবগুলোর সঙ্গেও কাজ করা হবে।