logo

ইতিহাস গড়েও হারের স্বাদ বুন্দেসলিগার প্রথম নারী কোচের

ইতিহাস গড়েও হারের স্বাদ বুন্দেসলিগার প্রথম নারী কোচের

ইউরোপীয় ফুটবলে ইতিহাস গড়লেন মেরি-লুইজ এতা, তবে সেই মুহূর্তটা জয় দিয়ে রাঙাতে পারলেন না। বুন্দেসলিগায় প্রথম নারী প্রধান কোচ হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই ভলফসবুর্গের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে ইউনিয়ন বার্লিন।

ম্যাচের আগে গ্যালারিতে এটার জন্য ছিল বিশেষ উচ্ছ্বাস। ইউনিয়ন সমর্থকেরা তার নাম ঘোষণার সময় ‘ফুসবালগটিন’ (ফুটবল দেবী) ধ্বনিতে অভিনন্দিত করেন। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে দল সেই আবহ ধরে রাখতে পারেনি।

ম্যাচ শেষে হতাশা লুকাননি ৩৪ বছর বয়সি এই কোচ। 

‘অবশ্যই হারটা হতাশাজনক। তবে ছেলেদের পারফরম্যান্স ও মনোভাব আমাকে সন্তুষ্ট করেছে,’ বলেন এতা।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই সপ্তাহে আমরা অনেক কিছু নিয়ে কাজ করেছি। পরিকল্পনাটাও মাঠে ভালোভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে, কিন্তু পয়েন্ট না পাওয়া কষ্টের।’

অভিষেক ম্যাচে ইউনিয়ন সুযোগ তৈরি করলেও ভলসবুর্গ গোলরক্ষক কামিল গ্রাবারা একাধিক সেভ করে ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেন। অন্যদিকে রক্ষণে ভুলের সুযোগ নিয়ে ভলফসবুর্গের প্যাট্রিক উইমার ও জেনান পেইচিনোভিচ দুই অর্ধেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।

এই ম্যাচের আগে এতা স্পষ্ট করেছিলেন, ব্যক্তিগত ইতিহাস নয়, তার লক্ষ্য দলকে রেলিগেশন থেকে বাঁচানো। মৌসুম শেষের পাঁচ ম্যাচ বাকি থাকতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি। এখন চার ম্যাচ বাকি, আর ইউনিয়ন নেমে গেছে রেলিগেশন জোনের আরও কাছে।

খেলোয়াড়দের কাছ থেকেও সমর্থন পাচ্ছেন এতা। ডিফেন্ডার ডেরিক কোহন বলেন, ‘খুব দ্রুতই আমরা তার পরিকল্পনার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছি। আজ তাকে জয় উপহার দিতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পারিনি।’

এর আগে ২০২৩ সালে একই ক্লাবে প্রথম নারী সহকারী কোচ হয়েছিলেন এতা। এবার প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন তিনি, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের পুরুষদের ফুটবলে প্রথম নারী কোচ হিসেবে।

তবে ইতিহাসের মুহূর্ত ছাপিয়ে এখন তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ দলকে অবনমন থেকে বাঁচানো।