পদত্যাগের দাবি উপেক্ষা করে ফের নির্বাচনে ইনফান্তিনো
-8564ab-720x405.webp)
প্রবল সমালোচনা আর পদত্যাগের দাবির মধ্যেও পিছু হটছেন না জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। আগামী মার্চে ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচনের জন্য লড়বেন তিনি। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সম্প্রতি বিশ্বকাপসহ ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতার ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে বড় ধরনের বিরোধিতার মুখে পড়েন ইনফান্তিনো। ব্যাপক সমালোচনার পর গত জুলাইয়ে সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হয় ফিফা।
এরপরই ইনফান্তিনোর অবস্থান নিয়ে চাপ বাড়তে থাকে। উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের পক্ষ থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তবে আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশন ও দক্ষিণ আমেরিকার কনমেবল এখনো ৫৬ বছর বয়সী এই ফুটবল প্রশাসকের পাশে রয়েছে।
ফিফার এক মুখপাত্র রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ফিফা সভাপতি এপ্রিলেই ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি ২০২৭ সালে পুনর্নির্বাচনে দাঁড়াবেন। অবশ্যই সেই অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ইনফান্তিনো পুনর্নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।’
এর আগে শনিবার পোল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ দেখতে গিয়ে গত ছয় সপ্তাহের বিতর্ক নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন ইনফান্তিনো। তবে তখন সরাসরি কোনো উত্তর দেননি তিনি।
ইনফান্তিনো বলেছিলেন, ‘অনেক কিছু বলার আছে। তবে সেগুলো বলার জন্য সঠিক জায়গা ও সঠিক সময় আসবে।’
আগামী মার্চে হতে যাওয়া নির্বাচনে এটি হবে ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদের জন্য লড়াই। যদিও এখন পর্যন্ত তার বিপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি।
ফিফার প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কই এখন ইনফান্তিনোর পুনর্নির্বাচন প্রচারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর-মধ্য আমেরিকার ফুটবল সংস্থাগুলোর বিরোধিতা তাকে বাড়তি চাপে ফেলেছে।
তারপরও আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার সমর্থন ধরে রাখতে পারলে নির্বাচনে ইনফান্তিনোই এগিয়ে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আপাতত অন্তত একটি বিষয় পরিষ্কার, সমালোচনার চাপেও ফিফার শীর্ষ পদ ছাড়ার কোনো ইচ্ছা নেই তার।



