আতলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের শুভ সূচনা

অ্যানফিল্ডে ইউরোপীয় রাতের শুরুটা সুখকর হয়নি ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুলের। সুযোগ নষ্টের পর উল্টো গোল হজম, ঘরের মাঠেই পিছিয়ে পড়ার ধাক্কা। তবে বিরতির আগে ও পরে দুই মিডফিল্ডারের দুই গোলে সেই রাতের শেষটা নিজেদের করে নিল অলরেডরা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) আতলেটিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে শুভসূচনা করেছে লিভারপুল। মার্কোস ইয়োরেন্তের গোলে পিছিয়ে পড়ার পর দমিনিক সোবোসলাই সমতা ফেরান। জয়সূচক গোলটি করেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।
অথচ ম্যাচ শুরুর মাত্র ১৫ সেকেন্ডেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকেরা। সোবোসলাইয়ের পাস থেকে আলেকজান্ডার ইসাকের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়। পরে ব্র্যাডলি বারকোলার প্রচেষ্টাও ঠেকিয়ে দেন আতলেটিকোর গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাক।
সেই সুযোগ নষ্টের মূল্য দিতে হয় ১৭ মিনিটে। রক্ষণের পেছনে ঢুকে আলিসনের ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান ইয়োরেন্তে। এরপর হুলিয়ান আলভারেজের বিপজ্জনক শট ঠেকিয়ে ব্যবধান আর বাড়তে দেননি লিভারপুল গোলরক্ষক।
৪০ মিনিটে আসে স্বস্তি। বক্সের জটলার মধ্যে রোনাল্দ আরাউহোর চতুর ফ্লিক থেকে কাছ থেকে গোল করেন সোবোসলাই। ১–১ সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল।
বিরতির পর আবারও সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন বারকোলা। তবে এবার গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ৫০ মিনিটে রিও এনগুমোহার ক্রস থেকে তৈরি আক্রমণে ফিরে আসা বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন ম্যাক অ্যালিস্টার। প্রথমবারের মতো এগিয়ে যায় লিভারপুল।
এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগও পেয়েছিল স্বাগতিকেরা। ইসাকের শট আটকে দেন রবিন লে নরমাঁ। শেষদিকে জেরেমি ফ্রিম্পং বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তাতে অবশ্য জয়ের পথে বাধা তৈরি হয়নি।
এক গোলের ব্যবধান ধরে রেখেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে লিভারপুল। কোচ আন্দোনি ইরাওলার চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচটিও তাই রাঙল পিছিয়ে পড়েও জয়ের আনন্দে।


