লেবাননে সামরিক অভিযানে ইসরায়েলি ফুটবলার, ফিফার পদক্ষেপের দাবি

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে সামরিক অভিযানে এক ইসরায়েলি ফুটবলারের অংশগ্রহণের অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরায়েলি প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব হাপোয়েল হাদেরার খেলোয়াড় মেনাশে জালকা সেনা পোশাকে অস্ত্র হাতে গুলি চালাচ্ছেন।
ভিডিওটি ইসরায়েলের একটি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হয় এবং পরে বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাকে একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর থেকে গুলি চালাতে এবং বিস্ফোরক নিক্ষেপ করতে দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ৩৫ বছর বয়সি এই ফুটবলার সেনাবাহিনীর প্যারাট্রুপার ইউনিটে রিজার্ভ সদস্য হিসেবে যুক্ত আছেন। এর আগেও গাজায় সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ঘটনাটি সামনে আসার পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফুটবল অঙ্গন। ফিলিস্তিনি ফুটবল কর্মকর্তারা এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে আখ্যা দিয়েছেন। একই সঙ্গে ফিফার কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে জরিমানা করলেও তাদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি ফিফা। নতুন এই ঘটনার পর সেই সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
অনেক ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থক ফিফা এবং উয়েফার ভূমিকা নিয়ে দ্বিমুখী আচরণের অভিযোগ তুলেছেন। তাদের মতে, অন্য ক্ষেত্রে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এখানে তা দেখা যাচ্ছে না।
সাম্প্রতিক এই ঘটনায় জালকার পাশাপাশি ইসরায়েল ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে।
তথ্যসূত্র: আলজাজিরা