Advertisement

ইনফান্তিনোকে সরানো ভয়াবহ ভুল হবে: ট্রাম্প

এশিয়া পোস্ট স্পোর্টস
ইনফান্তিনোকে সরানো ভয়াবহ ভুল হবে: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ছবি: রয়টার্স

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর পদত্যাগ দাবিতে যখন উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফ একজোট, তখন তার পাশে দাঁড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মতে, ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা বিবেচনা করলেও ভয়াবহ ভুল করবে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

Advertisement

মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন জানান ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘যেকোনো কারণে ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা বিবেচনা করলেও ফিফা ভয়াবহ ভুল করবে।’

সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের সাফল্যের কৃতিত্বও ইনফান্তিনোকে দিয়েছেন ট্রাম্প। তার দাবি, ফিফা সভাপতির দায়িত্বে থেকে অসাধারণ কাজ করেছেন ইনফান্তিনো এবং তার নেতৃত্বেই ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও লাভজনক বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনফান্তিনো দায়িত্বে না থাকলে ভবিষ্যতে ফিফা এতটা সফল কিংবা লাভজনক হতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রতিযোগিতাগুলোর বাণিজ্যিক ও পরিচালন কার্যক্রমের জন্য ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ নামে আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফান্তিনো। নতুন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২০ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল।

ফিফার সদস্য দেশ ও মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থাগুলোর সঙ্গে যথাযথ আলোচনা ছাড়াই এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ ওঠে ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে। উয়েফার নেতৃত্বে শুরু হওয়া বিরোধিতায় পরে যোগ দেয় এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন ও কনকাকাফ। সম্মিলিত চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনাটি বাতিল করে ক্ষমাও চান ইনফান্তিনো।

তবে পরিকল্পনা প্রত্যাহারের পরও তার ওপর চাপ কমেনি। সোমবার উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফের প্রধানেরা যৌথ খোলা চিঠিতে ইনফান্তিনোর আচরণকে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করেন। পুরো ঘটনা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।

তিন মহাদেশীয় সংস্থা সরাসরি ফিফার বাইরে বিকল্প প্রতিযোগিতা আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করছে। উয়েফা এর আগে ফিফার প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকি দিয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের চাওয়া, আগামী মার্চে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আবার প্রার্থী না হয়ে ইনফান্তিনো যেন সম্মানজনকভাবে দায়িত্ব ছেড়ে দেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইনফান্তিনোর পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিলেন ট্রাম্প।