logo
Advertisement

মেসিকেই ব্যালন ডি’অর দিতে চান বেকহ্যাম

মেসিকেই ব্যালন ডি’অর দিতে চান বেকহ্যাম
মেসির হাতেই ব্যালন ডি’অর দেখতে চান বেকহ্যাম। ছবি: গেটি ইমেজ

ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে হ্যারি কেইন, কিলিয়ান এমবাপ্পে কিংবা জুড বেলিংহামের চেয়ে লিওনেল মেসিকেই এগিয়ে রাখছেন ডেভিড বেকহ্যাম। ইন্টার মায়ামির সহ-মালিকের মতে, ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপে মেসি যা করেছেন, তাতে নবমবারের মতো পুরস্কারটি তারই পাওয়া উচিত।

বুধবার ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে ক্যাম্পেওনেস কাপ জেতে মায়ামি। সেই ম্যাচেই ক্লাবটির হয়ে শততম গোল করেন মেসি। এরপর অ্যাপল টিভির সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আর্জেন্টাইন তারকার ব্যালন ডি’অর দাবির পক্ষে অবস্থান নেন বেকহ্যাম।

বেকহ্যাম বলেন, ‘বিশ্বকাপে সে যা করেছে, এরপর আবার ব্যালন ডি’অরের বিবেচনায় থাকা কোনো ভাগ্যের ব্যাপার নয়। সম্ভবত সে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ছিল।’

৩৯ বছর বয়সে মেসির পারফরম্যান্সই সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ককে। তার ভাষায়, ‘এই বয়সে একটি বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচে এভাবে প্রভাব রাখা বিশেষ কিছু। ৩৯ বছর বয়সে আর কেউ এই পর্যায়ে এমন কিছু করছে না।’

এরপর নিজের পছন্দও পরিষ্কার করে দেন বেকহ্যাম, ‘সে ব্যালন ডি’অরের বিবেচনায় থাকার যোগ্য। আমার মতে, তারই জেতা উচিত।’

তবে প্রতিদ্বন্দ্বীদের কৃতিত্বও অস্বীকার করেননি তিনি। কেইন, এমবাপ্পে ও বেলিংহামের নাম উল্লেখ করে বেকহ্যাম বলেন, ‘দারুণ সব খেলোয়াড় আছে, হ্যারি কেইন, কিলিয়ান, জুড বেলিংহাম এবং আরও অনেকে। কিন্তু লিওর কথা এলে আমি তার সবচেয়ে বড় সমর্থক।’

বেকহ্যামের এই সমর্থনের মধ্যেই ব্যালন ডি’অরের শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে আলোচনায় আছেন কেইন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের হয়ে সব মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন ইংলিশ স্ট্রাইকার। বায়ার্নের হয়ে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপও জিতেছেন তিনি।

অন্যদিকে বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে টানা দ্বিতীয়বার ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা ছিল মেসির। আট গোলের সঙ্গে চারটি গোলে সহায়তা করেন তিনি। ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী।

বিশ্বকাপের পরও মায়ামির হয়ে ছন্দ ধরে রেখেছেন মেসি। ক্যাম্পেওনেস কাপের ফাইনালে শততম গোল করার পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করে দলকে শিরোপাও এনে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে বেকহ্যামের বিশ্বাস, বয়স আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা পেছনে ফেলে আরও একবার বিশ্বসেরার পুরস্কারটি মেসির হাতেই ওঠা উচিত।