ডার্বিতে আতলেটিকোর কাছে আবারও হার রিয়ালের

মাদ্রিদ ডার্বিতে আবারও মেত্রোপলিতানোতে হতাশ হলো রিয়াল মাদ্রিদ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দশ জনে পরিণত হওয়ার পর আতলেটিকো মাদ্রিদের কাছে ২–১ গোলে হেরেছে হোসে মরিনহোর দল।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরে যায় ৫২ মিনিটে। বক্সের ভেতর জিউলিয়ানো সিমিওনেকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন রিয়ালের ডিন হুইসেন। একই ঘটনায় পেনাল্টি পায় আতলেটিকো।
পরের মিনিটেই স্পট কিক থেকে থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো।
একজন কমে যাওয়ার পর দ্রুত দল পুনর্গঠন করেন মরিনহো। ৫৪ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও আরদা গুলেরকে তুলে আন্তোনিও রুডিগার ও ইয়ান দিয়োমান্দেকে নামান তিনি। কিন্তু তাতেও আতলেতিকোর আক্রমণ থামানো যায়নি।
৫৯ মিনিটে ব্যবধান ২–০ করেন জোনাথন ডেভিড। ডান দিক থেকে জিউলিয়ানো সিমিওনের দেওয়া বল কাজে লাগিয়ে গোল করেন কানাডিয়ান ফরোয়ার্ড।
এরপর স্বাভাবিকভাবেই আতলেটিকোরই আধিপত্য ছিল বেশি। ম্যাচে ৬২ শতাংশ বলের দখল রাখে দিয়েগো সিমিওনের দল। তাদের ১৬ শটের আটটি ছিল লক্ষ্যে, যেখানে রিয়ালের আট শটের মাত্র তিনটি লক্ষ্যে যায়।
শেষ দিকে অবশ্য ম্যাচে ফেরার আশা জাগায় রিয়াল। ৮৯ মিনিটে বার্নার্দো সিলভার সহায়তায় গোল করেন বদলি নামা রুডিগার। ব্যবধান ২–১ হলেও বাকি সময়ে আর সমতা ফেরাতে পারেনি অতিথিরা।
এর আগে প্রথমার্ধেও ম্যাচে উত্তেজনা কম ছিল না। ৩৮ মিনিটে জুড বেলিংহামের ওপর কড়া ট্যাকলের জন্য হলুদ কার্ড দেখেন আতলেটিকোর ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।
এই জয়ে সাত ম্যাচ শেষে আতলেটিকোর পয়েন্ট হলো ১৬। ১৫ পয়েন্টেই থাকল রিয়াল। অন্যদিকে সাত ম্যাচের সবগুলো জিতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে বার্সেলোনা। ফলে বার্সার সঙ্গে রিয়ালের ব্যবধান ছয় পয়েন্টই রয়ে গেল।
মেত্রোপলিতানোও আবার দুঃস্বপ্ন হয়ে থাকল রিয়ালের জন্য। গত মৌসুমে এই মাঠেই আতলেটিকোর কাছে ৫–২ গোলে হেরেছিল তারা। এবারও নগর প্রতিদ্বন্দ্বীর মাঠ থেকে খালি হাতেই ফিরতে হলো মরিনহোর দলকে।
