রাফিনিয়ার মন্তব্য নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে উয়েফা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে বিদায়ের পর করা মন্তব্যই এখন নতুন বিপদ ডেকে আনতে পারে রাফিনিয়ার জন্য। বার্সেলোনার এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের আচরণ ও বক্তব্য খতিয়ে দেখছে উয়েফা।
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগ শেষে রাফিনিয়া ম্যাচটিকে ‘চুরি হওয়া’ বলে মন্তব্য করেন। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভও দেখান তিনি।
এই মন্তব্য এখন উয়েফার শৃঙ্খলাবিষয়ক তদন্তের আওতায় এসেছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ম্যাচ চলাকালীন এবং ম্যাচের আগে-পরে সব আচরণকেই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে থাকে।
শুধু বক্তব্যই নয়, গ্যালারির দিকে রাফিনিয়ার কিছু ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণও ভালোভাবে নেয়নি সংস্থাটি। বিশেষ করে তিনি ম্যাচের স্কোয়াডে না থেকেও মাঠে উপস্থিত ছিলেন, যা বিষয়টিকে আরও সংবেদনশীল করে তুলেছে।
উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, রেফারি বা ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে প্রকাশ্যে অসম্মানজনক মন্তব্য করলে শাস্তির মুখে পড়তে হয় খেলোয়াড়দের। অতীতে এমন নজিরও রয়েছে।
২০১৯ সালে পিএসজির হয়ে খেলার সময় অনুরূপ মন্তব্যের কারণে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন নেইমার। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টের কারণেও শাস্তির উদাহরণ রয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়েও দর্শকদের উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণের জন্য শাস্তি পেয়েছেন বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার। রিয়াল মাদ্রিদের আন্তোনিও রুদিগার, কিলিয়ান এমবাপে ও দানি সেবায়োস গত মৌসুমে এমন ঘটনার জেরে উয়েফার শাস্তির মুখে পড়েছিলেন।
সবকিছু মিলিয়ে রাফিনিয়ার ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে নতুন মৌসুমের শুরুতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ মিস করতে হতে পারে তাকে।
এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। তবে পরিস্থিতি বলছে, রাফিনিয়ার জন্য সামনে কঠিন সময়ই অপেক্ষা করছে।