logo

২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে টেক হাব: রেহান আসিফ

২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে টেক হাব: রেহান আসিফ
ছবি: এশিয়া পোস্ট

২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ টেক হাব এ পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। এজন্য দেশের ডিজিটাল খাতের উন্নয়নে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভবপর সবকিছু করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে গ্রামীণফোনের ৭০০ মেগাহার্জ স্পেকট্রামের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, বিগত ৪০ বছরে তৈরি পোশাক খাত যা অর্জন করেছে, ডিজিটাল কনজিউমার খাতে সেটিই আমরা অর্জন করতে চাই। গার্মেন্টস খাত যা করেছে, সেটিকেই কপি করছি আমরা। গার্মেন্টস খাত যেসব সুবিধা ভোগ করেছে, আগামী ১০ বছর আইসিটি খাতকে সেসব সুবিধা দিতে চাই। সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করতে চাই যেন প্রাইভেট খাত ও বিনিয়োগকারীরা এই খাতে সম্ভাবনা দেখতে পারে। ২০৩০ সাল নাগাদ টেক হাব হবো আমরা।

তিনি আরও বলেন, জিডিপি রেশিও-তে আমাদের কম কর, কিন্তু টেলিকমে উচ্চ কর হার। সিম ট্যাক্স তুলে নিয়েছি, যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের সরাসরি প্রভাবিত করতো। অংশীজনদের থেকে মতামত নিয়েছি। আর শেষ দুই মাস সেগুলোর প্রতিফলন বাজেটে করতে কাজ করেছি। ২০২৯ সাল নাগাদ বাংলাদেশ নবম বৃহত্তম কনজ্যুমার এবং টেলিকমের বাজার হবে। কিন্তু কানেক্টিভিটি না থাকলে এটা হবে না।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী বলেন, দেশের ডিজিটাল কানেক্টিভিটির প্রসারে গ্রামীণফোনের অনেক অবদান রয়েছে। এই কানেক্টিভিটির ওপর ভিত্তি করে বিশাল ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে প্রায় বাস্তবের মতো একটি লাইফস্টাইল থাকবে। এটাই হচ্ছে ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রির শিকড়। আর এই শিকড়কে যদি যত্ন না নেই, তাহলে কী হবে, সেটা আমরা অনুমান করতে পারি। আমাদের তাই দরকার রোবাস্ট কানেক্টিভিটি। আর এখানেই ৭০০ মেগাহার্টজ খুবই উপকারী হবে।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, ৭০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম দেশজুড়ে গ্রাহকদের সেরা নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা প্রদানের ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের নিরন্তর প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। এটি ফোরজির পারফরম্যান্স বৃদ্ধিতে অপরিহার্য ভূমিকা রাখবে এবং উচ্চতর ডেটা স্পিড, কম ল্যাটেন্সি ও বৈচিত্র্যময় পরিবেশে উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ-উপযোগী প্রযুক্তি, যেমন: ফাইভজি, এআই ও আইওটির জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, এই স্পেকট্রাম ইনডোর কভারেজ উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে, গ্রামীণ সংযোগ আরও শক্তিশালী করবে এবং লাখ লাখ গ্রাহককে আরও নির্ভরযোগ্য ও নির্বিঘ্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করতে আমাদের সক্ষমতাকে বাড়িয়ে তুলবে। এ ব্যান্ডে স্পেকট্রাম বরাদ্দ দিয়ে একটি ভবিষ্যৎ-উপযোগী টেলকো ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সহায়তা করার জন্য আমরা বিটিআরসি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই।