দুপুরের মধ্যে ১১ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

দেশের ১১ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় দেওয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টায় গভীর নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে তা ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। এর কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায়ও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।
বুধবার দেশের তাপমাত্রা আগের দিনের তুলনায় কমেছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল রংপুরে, ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ফেনীতে, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায়ও তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি কমে বুধবার ৩২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে।
