আজ থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টি-বজ্রপাত, আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা

দেশের বিভিন্ন জায়গায় রোববার (৮ মার্চ) থেকে বৃষ্টি এবং বজ্রপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে মার্চের শেষের দিকে কিছু এলাকায় তাপমাত্রা বাড়ার কারণে তাপপ্রবাহও দেখা দিতে পারে আশঙ্কা করছে সংস্থাটি।
বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আশপাশে একটি লঘুচাপের বিস্তার রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ আছে। এই অবস্থার কারণে আগামী কয়েক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, রোববার সকাল পর্যন্ত সিলেট বিভাগের কয়েক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। অন্য অনেক অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলা হলেও আবহাওয়া বেশির ভাগ সময় শুষ্ক থাকবে। দিনের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকলেও রাতে তা সামান্য বাড়তে পারে।
রোববার সকাল থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কয়েক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যান্য এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সোমবার ও মঙ্গলবারও একই ধরনের আবহাওয়া থাকতে পারে। রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কয়েক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বুধবারও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। তাপমাত্রা দিনের এবং রাতের সময় প্রায় একই থাকতে পারে।
মার্চ মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসভর ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে থাকবে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। ফলে মাসের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে গরমের তীব্রতা বাড়তে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মার্চে দুই থেকে তিন দিন বজ্রপাত, শিলাবৃষ্টি এবং হালকা-মাঝারি ঝড় হতে পারে। এ ছাড়া মাসের যে কোনো সময়ে এক থেকে দুই দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড়ও আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে।
মাসের শেষ দিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা ৩৬–৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ওঠতে পারে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলে মার্চের দ্বিতীয়ার্ধে গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হতে পারে, ফলে শুষ্ক আবহাওয়া ও বাড়তে থাকা তাপমাত্রার কারণে অনেক এলাকায় অস্বস্তিকর গরম লাগতে পারে।