logo

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বেড়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সেনারা ইরানে হামলার পর পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরান। এ অবস্থার মধ্যে কাতারের জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে, বিশেষ করে ইউরোপে গ্যাসের দাম ৩০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে।

গত কয়েক দিনে ইরান থেকে দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতার, কুয়েত, বাহরাইন ও সৌদি আরবে। এর ফলে দুপুরের পরপরই যুক্তরাজ্যে এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য রাখা প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

কাতার তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যতম প্রধান রপ্তানিকারক। দেশটি বিশ্বব্যাপী প্রায় এক-পঞ্চমাংশ গ্যাস সরবরাহ করে। এসব জ্বালানির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে সমুদ্রপথে পরিবহন করা হয়।

যদিও কাতারের প্রধান গ্রাহক দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো। এরপরও বাণিজ্যে যে কোনো বাধা বিশ্ব বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। কারণ এটি অন্যত্র থেকে আসা পণ্যের জন্য প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে।

নিরাপত্তা সতর্কতা হিসেবে ইসরায়েলে কিছু গ্যাস উৎপাদনকারী সরবরাহ ব্যবস্থা ও জ্বালানি অবকাঠামো বন্ধ করে দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ইউরোপের জন্য একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠতে পারে। কারণ, এ অঞ্চলে গ্যাসের মজুত কমছে। শীতকালে ঘর গরম রাখতে ইউরোপে প্রচুর জ্বালানি (তেল-গ্যাস) দরকার হয়।