logo

আমেরিকা-ইসরায়েলের দুই রকম কথা, নেতা ঘোষণা করবে কি ইরান

আমেরিকা-ইসরায়েলের দুই রকম কথা, নেতা ঘোষণা করবে কি ইরান

ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে হবেন, তা এখনও নিশ্চিত হয়নি। প্রয়াত খামেনির পুত্র মোজতাবা খামেনির নাম আলোচনায় এগিয়ে থাকলেও চূড়ান্তভাবে কারও নাম কখন ঘোষণা করা হবে—বা হবে কি না, তা নিয়ে রয়ে যাচ্ছে প্রশ্ন।

একদিকে পরবর্তী নেতাকে ইসরায়েলের আঘাত করার ঘোষণা, অন্যদিকে ইরানের মসনদে কাউকে বসানোর জন্য ট্রাম্পের যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছে বলে প্রতিবেদন এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যগুলোয়। ইরানও বিষয়টি নিয়ে ঘোষণায় এখনও যাচ্ছে না।

দ্য নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রয়াত খামেনির দ্বিতীয় পুত্র মোজতাবা খামেনির নাম নেতা হওয়ার দৌড়ে সবার আগে রয়েছে। তবে এখানে নিরাপত্তার বিষয়টি প্রকট হয়ে ওঠার কারণে তার বা কারও নামই নিয়ে আসা স্বাভাবিকভাবেই ঝুঁকিপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইজরায়েল কাৎজ কয়েকদিন আগেই ঘোষণা দিয়েছেন, খামেনির উত্তরসূরি যিনিই হবেন তাকেই নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার জন্য নিশানা করা হবে। তিনি সঙ্গে এও উল্লেখ করেন, যে ব্যক্তিই এই পদে আসীন হবেন, তার নাম যাই হোক, বা যেখানেই লুকিয়েই থাকেন না কেন—তাতে তাদের কিছুই আসে যায় না। 

সাধারণ মানুষের সামনে মোজতাবা খামেনিকে খুব বেশি সময় দেখা যায়নি। ইরানের প্রশাসন এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ। তবে তার নাম আলোচনায় আসতে না আসতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিক্রিয়ায় তাকে একেবারে খারিজে করে দিয়েছেন। তার কথা, ইরানের পরবর্তী নেতা হিসেবে মোজতাবাকে একেবারেই আমলে নিচ্ছেন না তিনি। ’ওরা স্রেফ সময় নষ্ট করছে। খামেনির ছেলে (সর্বোচ্চ নেতার পদের জন্য) একেবারেই মামুলি’—সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে এভাবেই জানান তিনি। সঙ্গে এও বলেন যে, ইরানের নেতৃত্বে যদি মোজতাবাকে নির্বাচন করা হয় তাহলে সেটি তার কাছে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। নেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি নিজের মতামত এভাবে দেন যে, আমরা এমন কাউকে চাই যিনি ইরানে শান্তি এবং নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবেন।’ 

এরই মধ্যে ট্রাম্প জানিয়েও দিয়েছেন, ‘ভেনেজুয়েলায় ডেলসিকে নিয়োগ দেওয়ার মতো এখানেও আমি যুক্ত থাকব।’ প্রসঙ্গত, ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ট্রাম্পের প্রত্যক্ষ হস্তক্ষেপেই ক্ষমতা পেয়েছেন। কিছুদিন আগেই দেশটির সাবেক শাসক নিকোলাস মাদুরোকে সামরিক অভিযানের মাধ্যমে উৎখাত করে ট্রাম্প প্রশাসন। এনবিসি নিউজকে ট্রাম্প বলেন, তিনি চান ইরানের জনগণ একজন উপযুক্ত নেতা পায়। তাদের বিবেচনায় কিছু নামও রয়েছে যারা এই কাজে ভালো করবেন বলে তিনি মনে করেন। তবে সেই নামগুলোর নিয়ে কোনো রকম আভাস তিনি দেননি।