logo

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল সাড়ে ৩ হাজার মার্কিন মেরিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাল সাড়ে ৩ হাজার মার্কিন মেরিন সেনা

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত শুরুর পর ইয়েমেনের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি ইসরায়েলে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালিয়েছে। প্রথম দফার হামলার পর ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা জোরালো হয়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মার্কিন বাহিনী পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে হাজার হাজার মেরিন সেনা ওই অঞ্চলে পাঠিয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) মার্কিন সামরিক বাহিনীর বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, দুটি দলের মধ্যে প্রথম দলটি শুক্রবার একটি উভচর আক্রমণকারী জাহাজে করে পৌঁছেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের ত্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপের ফ্ল্যাগশিপটি প্রায় ৩ হাজার ৫০০ নাবিক ও মেরিন সদস্যকে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে আক্রমণকারী যুদ্ধবিমান, উভচর হামলার সরঞ্জাম এবং বিভিন্ন কৌশলগত সামরিক উপকরণ।

এদিকে দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টাগন ইরানে কয়েক সপ্তাহব্যাপী সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

সংবাদমাধ্যম হিলের তথ্য অনুসারে, গত সপ্তাহে পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার মেরিন সেনা ও দুটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। এর অংশ হিসেবে সান ডিয়েগোভিত্তিক ইউএসএস বক্সার (এলএইচডি-৪) বুধবার যাত্রা শুরু করেছে। জাহাজটি ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের অন্তত ২ হাজার ২০০ মেরিন সেনা বহন করছে। এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে সেন্টকম অঞ্চলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এই বাহিনীর সঙ্গে ইউএসএস নিউ অরলিন্সও (এলপিডি-১৮) যুক্ত হবে, যা আগামী শুক্রবারের মধ্যে ওই অঞ্চলে পৌঁছানোর কথা ছিল। অতিরিক্ত মেরিন সেনারা পৌঁছানোর পর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা বিবেচনা করছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে ১১ হাজারেরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।

এর আগে, গতকাল প্রথমবারের মতো ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। এরপর দ্বিতীয় দফায়ও হামলা চালিয়েছে গোষ্ঠীটি। তাদের দাবি, ইরানে ইসরায়েল হামলা ও আগ্রাসন বন্ধ না করা পর্যন্ত আক্রমণ অব্যাহত রাখা হবে।