logo

ইরানে হাসপাতাল ও পার্কে যৌথ হামলা, নিহত ৭

ইরানে হাসপাতাল ও পার্কে যৌথ হামলা, নিহত ৭

ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ তাবরিজ শহর ও মারজদারানের আবাসিক এলাকা ও রাবে রাশিদি এলাকার একটি পার্কে যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে ইরানজুড়ে বিস্ফোরণের ব্যাপক শব্দ শোনা গেছে। এ হামলায় অন্তত সাতজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও ডজনখানেক।

সোমবার (২৩ মার্চ) ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। 

ইরানের পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের মহাপরিচালক মজিদ ফারসি জানিয়েছেন, তাবরিজ শহরে দুটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছে। মারজদারান এলাকার একটি আবাসিক ভবনে হামলায় চারজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া রাবে রাশিদি এলাকার একটি পার্কে অন্য এক হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন।

তবে এ হামলার বিষয়ে কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আবার যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তেহরানের মধ্যাঞ্চলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দের পাশাপাশি রাজধানীর পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত বিমান হামলার মুখে ইরানের আরও অনেক শহরেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে।

বার্তা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বন্দর আব্বাসে একটি রেডিও স্টেশন লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া খোররামাবাদ ও উর্মিয়া শহরের দুটি আবাসিক এলাকায় হামলায় বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। ইরানে চলমান হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে ইসফাহান, কারাজ ও আহভাজেও ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আহভাজে একটি হাসপাতালও হামলার কবলে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

ইতোমধ্যে ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৮০ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হামলার শিকার হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কিছু ভবন মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব স্থাপনার তালিকায় রয়েছে হাসপাতাল, স্কুল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব কার্যালয়ও।