logo

ইরান যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে রাশিয়া-ইরানের আলোচনা

ইরান যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে রাশিয়া-ইরানের আলোচনা

চলমান ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধান নিয়ে আলোচনা করেছেন রাশিয়া ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি শুক্রবার এই বিষয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই ‘জটিল সামরিক-রাজনৈতিক সংকট’ নিয়ে দুই পক্ষ গভীরভাবে মতবিনিময় করেছেন। মস্কোর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের “উসকানিমূলক আগ্রাসন”-এর ফলেই এই সংঘাতের সূত্রপাত।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আলোচনায় যুদ্ধকে কূটনৈতিক পথে সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন মেনে এবং অঞ্চলটির সব দেশের “বৈধ স্বার্থ” বিবেচনায় রেখে সংঘাতকে রাজনৈতিক সমাধানের দিকে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই দেশ মতবিনিময় করেছে।

এছাড়া ল্যাভরভ ইরানে রাশিয়ার সর্বশেষ মানবিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়টিও তুলে ধরেন বলে জানানো হয়েছে।

রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে আগে থেকেই একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি রয়েছে, যার আওতায় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত। তবে এই চুক্তিতে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা (mutual defence) বাধ্যবাধকতা নেই।

অন্যদিকে, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া ইতোমধ্যে ইরানি নকশার ড্রোন ব্যবহার করছে। একই সময়ে পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে যে, রাশিয়া ইরানকে সরাসরি সহায়তা দিচ্ছে কি না।

রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, জি-৭ বৈঠকে ইউরোপীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে অভিযোগ করেছেন মস্কো ইরানকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলায় সহায়তা করছে।

এছাড়া দুইটি পশ্চিমা নিরাপত্তা সূত্র ও তেহরান-ঘনিষ্ঠ এক আঞ্চলিক কর্মকর্তার দাবি, রাশিয়া ইরানকে স্যাটেলাইট চিত্র সরবরাহ করছে এবং তাদের ড্রোন প্রযুক্তি উন্নত করতে সহায়তা করছে, যাতে সেগুলো ইউক্রেনে ব্যবহৃত রাশিয়ার ড্রোনের মতো সক্ষমতা পায়।

সূত্র: রয়টার্স