
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারকের বেশ কয়েকটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা উচিত হবে না। তেহরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, শুধুমাত্র মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের বিনিময়ে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি খুলে দেওয়া একটি ‘কৌশলগত ভুল’ হবে, যা সরাসরি সমঝোতা স্মারকের লঙ্ঘন।
শনিবার (২০ জুন) দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম তাসনিমের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার আগে সমঝোতা স্মারকে থাকা সব প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইরানের মূল শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশের ব্যাংকে আটকে থাকা ইরানের কমপক্ষে ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ হস্তান্তর করা, ইরানের ওপর থাকা তেল নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা।
লেবানন থেকে ইসরায়েলের সেনা সরিয়ে নেওয়াসহ চুক্তির অধীনস্থ সমস্ত শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরানকে এই প্রণালিটি বন্ধ রাখার দাবিতে অনড় থাকতে হবে। অন্যথায়, তা চুক্তির শর্ত পূরণে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড় দেওয়ার শামিল হবে বলের প্রতিবেদনে জোরালোভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সব ধরনের সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়।
এতে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধ-পরবর্তী সমঝোতা স্মারকের প্রথম ধারা লঙ্ঘন করেছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান কর্মকাণ্ডকেও তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।




