ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কড়া জবাব

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর ব্রিটেনের অধিকার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পর্যালোচনার খবরের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার। তার দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। এই অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দ্য টেলিগ্রোফের প্রতিবেদন অনুসারে পেন্টাগনের ফাঁস হওয়া কিছু ইমেইল থেকে জানা গেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সমর্থন না দেওয়ায় শাস্তি হিসেবে ব্রিটেনকে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে চাপে ফেলতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
শুক্রবার সকালে প্রকাশ হওয়া ওই ইমেইলগুলোতে দেখা যায়, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধে মার্কিন বাহিনীকে সহায়তা না করায় ন্যাটো মিত্রদের জন্য শাস্তিমূলক পদক্ষেপের একটি তালিকা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের সদর দপ্তর। সেই তালিকায় ইউরোপীয় দেশগুলোর দীর্ঘদিনের ‘সাম্রাজ্যবাদী অধিকারে’ থাকা অঞ্চলগুলোর (যেমন—ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ) ওপর থেকে কূটনৈতিক সমর্থন প্রত্যাহারের বিষয়টি পর্যালোচনার বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে।
এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর একজন মুখপাত্র বলেন, ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে যুক্তরাজ্যের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। আমাদের এই অবস্থান দীর্ঘদিনের এবং অপরিবর্তিত।’
তিনি আরও বলেন, এ দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব যুক্তরাজ্যের হাতেই রয়েছে এবং দ্বীপবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটিই আমাদের ধারাবাহিক অবস্থান এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকবে।
ওই মুখপাত্র আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী স্টারমার বার বার স্পষ্ট করেছেন যে তিনি কোনো চাপে নতি স্বীকার করবেন না। তিনি সবসময়ই যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থান নেবেন এবং ফকল্যান্ডের বিষয়টিও এর ব্যতিক্রম নয়।