মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন সাহায্যের বিনিময়ে অর্থ ও প্রযুক্তি চায় ইউক্রেন

ইরানি কামিকাজে ড্রোন ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে সাহায্য করার বিনিময়ে অর্থ ও প্রযুক্তি চাইছে ইউক্রেন। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন পরিচালনা এবং ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রদর্শনের জন্য তিনটি দল ইতোমধ্যে কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাঠানো হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ‘এটা যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে নয়, আমরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেই।’
রোববার (১৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা রয়টাস।
জেলেনস্কি জানান, উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি ড্রোন চুক্তির বিষয়ে আলোচনা সম্ভব এবং এই সহায়তার বিনিময়ে ইউক্রেন কী পাবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ‘আজ আমাদের জন্য প্রযুক্তি এবং অর্থ দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ।’
ইরানের শাহেদ ড্রোন মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলো ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ বিমান-প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র খরচ করে ফেলেছে। ইউক্রেন রাশিয়ার ড্রোন ঠেকাতে সস্তা ছোট ড্রোন ও জ্যামিং সরঞ্জাম ব্যবহার করছে। আর এই অভিজ্ঞতাই তারা মধ্যপ্রাচ্যে কাজে লাগাতে চাইছে।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, ড্রোন ভূপাতিত করতে আমেরিকার ইউক্রেনের সাহায্যের প্রয়োজন নেই। জেলেনস্কি জানিয়েছেন, কয়েক মাস ধরে চাপ দেওয়া সত্ত্বেও ৩৫ থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় ড্রোন চুক্তি এখনো স্বাক্ষরিত হয়নি এবং এটি আদৌ হবে কি না তিনি নিশ্চিত নন। পাশাপাশি কিছু ইউক্রেনীয় কোম্পানি ও বিদেশি সরকার কিয়েভের অনুমোদন ছাড়াই ড্রোনবিরোধী সরঞ্জামের চুক্তি করার চেষ্টা করেছে বলেও তিনি সমালোচনা করেছেন।