logo

পুনর্নির্বাচনে ভোটের হার ৫৫ শতাংশ

পুনর্নির্বাচনে ভোটের হার ৫৫ শতাংশ

বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দুদিন আগে ১৫ বুথে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (২ মে) সকাল থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ডায়মন্ড হাবরার ভোটকেন্দ্রের চারটি বুথ ও মগরাহাট পশ্চিম ভোটকেন্দ্রের ১১টি বুথে নেওয়া হচ্ছে এই ভোট।

নির্ধারিত সময় সকাল ৭টা থেকে ভোটার লাইনে দাঁড়ান সাধারণ মানুষ। দ্বিতীয় দফায় যে রকম নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছিল, শনিবারও একইরকম নিরাপত্তায় হচ্ছে ভোটগ্রহণ। ডায়মন্ড হারবারে বুথ থেকে ১০০ মিটার দূরে কড়া পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যে সমস্ত ভোটাররা ভোট দিচ্ছেন, তাদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে ব্যতিক্রমী ছবি। কারণ, তাদের দুই আঙুলে কালির দাগ। প্রথমবার ভোট দেওয়ার সময় আঙুলে কালি লাগানো হয়েছিল। আজ অন্য আঙুলে দেওয়া হচ্ছে কালির দাগ।

শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্র নয়, তার আশপাশেও নিরাপত্তার কড়াকড়ি রয়েছে। বুথের ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বাইরে রাজ্য পুলিশকে দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল চলছে বিভিন্ন জায়গায়। সকাল থেকে এখনও পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই চলছে ভোটগ্রহণ। তবে ফের একবার লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হচ্ছে বলে হতাশা রয়েছে কিছু ভোটারের মধ্যে। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ডায়মন্ড হারবারের চারটি বুথে পুনর্নির্বাচনেও ভোটারদের লম্বা লাইন দেখা গিয়েছে। দুই দফায় যে রেকর্ড ভোটদান দেখা গিয়েছিল, পুনর্নির্বাচনেও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এদিন দুপুর ১টা পর্যন্ত পুনর্নির্বাচনে ৫৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ ভোট পড়েছে। ডায়মন্ড হারবারের চারটি বুথে ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ এবং মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথে ৫৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে।

বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনে কারচুপির একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। তারপরেই বড় সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন। কোথাও কোথাও নির্বাচন চলাকালীন কিছুক্ষণের জন্য ওয়েব কাস্টিং ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। কোথাও কোথাও আবার অভিযোগ ওঠে, একটা দল ছাড়া অন্য কোনো দলকে ভোট দেওয়া যাচ্ছে না। কোথাও আবার ইভিএমের বাটনে টেপ লাগানো রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। আর এই সমস্ত অভিযোগ শোনার পরে, বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।