logo

সন্তানের ভরণপোষণের বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র

সন্তানের ভরণপোষণের বকেয়া থাকলে পাসপোর্ট বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

সন্তানের ভরণপোষণের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ বকেয়া থাকলে বাবা-মায়ের পাসপোর্ট বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অর্থাৎ যাদের এক লাখ ডলার বা তার বেশি দেনা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

শুক্রবার (৮ এপ্রিল) থেকে পাসপোর্ট বাতিলের প্রক্রিয়া কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (এইচএইচএস) কর্তৃক পররাষ্ট্র দপ্তরকে সরবরাহ করা পরিসংখ্যান অনুসারে, পাসপোর্ট বাতিলের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মার্কিন পাসপোর্টধারী।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েট প্রেস বা এপি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এপি প্রথম জানিয়েছি, এই কর্মসূচি আরও বড় পরিসরে চালু করা হবে। এর আওতায় এমন বাবা-মাকেও আনা হবে, যারা সন্তানের খরচ বাবদ ২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি বকেয়া রেখেছেন। এই নিয়মটি ১৯৯৬ সালের একটি পুরোনো আইনে থাকলেও এতদিন খুব একটা কার্যকর করা হয়নি।

তবে বৃহস্পতিবারের আগ পর্যন্ত এটা স্পষ্ট ছিল না যে, ঠিক কতজন পাসপোর্টধারীর ২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি ঋণ রয়েছে। কারণ স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ এখনও পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণকারী রাজ্য সংস্থাগুলো থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে। তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সংখ্যা কয়েক হাজার হতে পারে।

চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত শুধুমাত্র যারা পাসপোর্ট নবায়নের জন্য আবেদন করেছিলেন, তারাই এই জরিমানার আওতায় ছিলেন। বিভাগটি জানিয়েছে, নতুন নীতিমালার অধীনে এইচএইচএস ২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি বকেয়া থাকা সমস্ত অর্থ পরিশোধের বিষয়ে স্টেট ডিপার্টমেন্টকে অবহিত করবে এবং সেই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত পাসপোর্টধারী অভিভাবকদের নথি বাতিল করা হবে।

পাসপোর্ট বাতিলের সময় বিদেশে থাকা কোনো পাসপোর্টধারীকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে আসার অনুমতিপত্র সংগ্রহের জন্য মার্কিন দূতাবাস বা কনস্যুলেটে যেতে হবে।

কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্সের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোরা নামদার বলেন, ‘আমরা একটি সাধারণ জ্ঞানসম্মত পদ্ধতির প্রসার ঘটাচ্ছি, যা সন্তানের ভরণপোষণের দেনাদার ব্যক্তিদের ঋণ পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই অভিভাবকরা একবার তাদের দেনা পরিশোধ করে ফেললে, তারা আবারও মার্কিন পাসপোর্টের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।’