ইরাকি জনগণের প্রতি কেন কৃতজ্ঞতা জানালেন মোজতবা খামেনি

চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় শিয়া-অধ্যুষিত ইরাকের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। রোববার (২৯ মার্চ) এক লিখিত বার্তায় তিনি এই কৃতজ্ঞতা জানান বলে জানিয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ নিউজ।
ইরাকের শিয়াপন্থি মুসলিম সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি সিস্তানির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ইরানে চলমান আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ও ইরানি জনগণের পক্ষে সুস্পষ্ট অবস্থান নেওয়ায় ইরাকের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এবং ইরাকি জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।
গতকাল রোববার ইরাকের শিয়াপন্থি রাজনৈতিক দল ইসলামিক সুপ্রিম কাউন্সিল অব ইরাকের সঙ্গে বৈঠক করেন বাগদাদে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত। সেই বৈঠকের পরই মোজতবা এ বার্তা দেন বলে জানিয়েছে আইএসএনএ নিউজ। এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম বিবৃতি ও ফার্সি নববর্ষ নওরোজ উপলক্ষে আরেকটি বার্তা দিয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। তবে দুই ক্ষেত্রেই অন্য এক ব্যক্তি তার ওই বিবৃতিগুলো টেলিভিশনে পড়ে শোনান। তাতে চলমান যুদ্ধে বিজয়ের বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছিল।
ইরানে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে নিয়মিত তার ছবি প্রকাশ করা হলেও সেগুলো সাম্প্রতিক কি না, তা স্পষ্ট নয়। তার নিজস্ব টেলিগ্রাম ও এক্স অ্যাকাউন্ট থাকলেও সেগুলোতেও সরাসরি উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করার পরও তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ট্রাম্পের দাবি, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সঙ্গে আহত হওয়ার পর ‘প্রাণ হারিয়েছেন’ তিনি।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র একজন ‘শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তির’ সঙ্গে কাজ করছে। তবে তিনি সর্বোচ্চ নেতা নন। এমনকি তিনি মন্তব্য করেন, ‘আমরা তার কোনো খবর পাইনি… সে বেঁচে আছে কি না, তাও জানি না।’