ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে রাজা চার্লসও একমত, দাবি ট্রাম্পের

যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসও ইরানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র না থাকার বিষয়ে একমত বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও রাজা চার্লসকে সরাসরি ইরানের কাছে পরমাণবিক অস্ত্র থাকা না থাকা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।
হোয়াইট হাউসে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এ কথা বলেছেন ট্রাম্প।
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন রাজা চার্লস ও রানি ক্যামিলা। ২০০৭ সালের পর কোনো ব্রিটিশ রাজার এটাই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। ওই সময় প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ যুক্তরাষ্ট্রে ছয় দিনের সফর করেছিলেন।
মূলত রাজার এ সফরে ইরান যুদ্ধ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক দূরত্ব, প্রিন্স অ্যান্ড্রুর নানান কেলেঙ্কারি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
মঙ্গলবার রাতে আয়োজিত নৈশভোজের আয়োজনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দুই দেশের মধ্যে যে টানাপোড়েন সম্পর্ক তৈরি হয়েছে তাও আলোচনায় উঠে আসে।
সংক্ষিপ্ত ভাষণে ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমরা খুব ভালো করছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না। আর এ যুক্তির সঙ্গে রাজা চার্লসও একমত বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, আমরা সামরিকভাবে সেই প্রতিপক্ষকে (ইরান) পরাজিত করেছি। কখনোই তাদের আমরা পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেব না। এ বিষয়ে রাজা চার্লসও একমত।
একই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের বিতর্কিত ‘ইস্ট উইং বলরুম’ প্রকল্প নিয়ে হাস্যরস করেছেন রাজা চার্লস। হোয়াইট হাউসের সংস্কার কাজের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ব্রিটিশরাও একসময় হোয়াইট হাউসের ‘উন্নয়নে’ হাত দিয়েছিল। মূলত ১৮১৪ সালে ব্রিটিশ সৈন্যদের দ্বারা হোয়াইট হাউসে অগ্নিসংযোগের ঐতিহাসিক ঘটনাটি মনে করিয়ে দিয়ে তিনি এই রসিকতা করেন। এ সময় তার কথায় উপস্থিত অতিথিরা হেসে ওঠেন।
সূত্র: বিবিসি, সিএনএন