logo

খামেনি হত্যার পর বাগদাদে বিক্ষোভ

খামেনি হত্যার পর বাগদাদে বিক্ষোভ

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে মার্কিন ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা শহরের গ্রিন জোনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মুখোমুখি হয়েছেন।

আলজাজিরা কর্তৃক যাচাই করা ভিডিওতে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা পতাকা উড়াচ্ছেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা সেখানে মার্কিন দূতাবাসের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, কয়েকজন বিক্ষোভকারী রাউন্ডঅ্যাবে যানবাহন আটকানোর চেষ্টা করছেন, যা গ্রিন জোনের এক দরজার কাছে অবস্থিত।

এর আগে, স্থানীয় সময় শনিবার ইরানের রাজধানী তেহরানসহ অন্তত ৩০টি শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র। হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরসহ দুই শতাধিক বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

জবাবে ইসরায়েলে ও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এতে বেশ কয়েকজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট স্থগিত করেছে।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সংলাপ শুরু হয়েছিল। কিন্তু শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জেনেভায় কোনো ধরনের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়। এরপরই ইরানে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।

গত বছরের ১৩ জুন ইরানের পরমাণু স্থাপনা ও ড্রোন সক্ষমতাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। যুক্তরাষ্ট্রও সেই অভিযানে অংশ নেয়। সে সময় ইরানের তিনটি প্রধান পরমাণু কেন্দ্রে আঘাতের দাবি করে পেন্টাগন।

১২ দিনের সংঘাত শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস চরমে পৌঁছে যায়। সেই যুদ্ধপরবর্তী উত্তেজনাই এ বছরের সংকটের ভিত গড়ে দেয়।