logo

আবারও ইরানের স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আবারও ইরানের স্কুলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানে আবারও স্কুল ও বসতবাড়ি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

ইরানের বার্তাসংস্থা মেহের মঙ্গলবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে। 

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরানের কেন্দ্রীয় শহর খোমেইনের একটি স্কুলে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মেহের-এর প্রতিবেদনে। হামলায় লক্ষ্যবস্তু হওয়া স্থানটিকে ‘ডক্টর হাফেজ খোমেনি স্কুল’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। 

স্কুল ভবনের আশেপাশের বেশ কিছু আবাসিক ঘরবাড়ি এ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মেহের। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কোনো হতাহতের খবর জানায়নি প্রতিবেদনে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পুরোদমে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এদিন দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এ ঘটনায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ওই স্কুলের অল্প বয়সি শিক্ষার্থী। এ হামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

এদিকে মঙ্গলবার তেহরানে একটি আবাসিক ভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এক বছর বয়সী এক শিশুকন্যার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মেহর নিউজ।

টেলিগ্রামে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির মরদেহ বের করে আনছেন।

চলমান যুদ্ধের অংশ হিসেবে রাতভর ইরানের রাজধানীর একাধিক এলাকায় হামলা চালানো হয়েছে। উদ্ধারকারী দলগুলো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়াদের উদ্ধারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, দেশটির সামরিক ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বিশাল আকারের হামলার ফলে বেশ কিছু বেসামরিক এলাকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পুরোদমে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এদিন দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ছোঁড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এ ঘটনায় অন্তত ১৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ওই স্কুলের অল্প বয়সী শিক্ষার্থী। এ হামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে।