logo

ইরানে হামলার উদ্দেশ্য ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নয়’: হেগসেথ

ইরানে হামলার উদ্দেশ্য ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন নয়’: হেগসেথ

ইরান কয়েক দশক ধরে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বর্বর, একতরফা যুদ্ধ’ চালিয়েছে আসছে বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ। তিনি বলেন, ইরান ‘শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ তৈরি করছে এবং ‘পারমাণবিক বোমার দিকে ঝুঁকছে’। চলমান সংঘাত ‘তথাকথিত শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যুদ্ধ ছিল না’।

সোমবার (২ মার্চ) পেন্টাগনে ইরান সংঘাত ইস্যুতে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। চলমান হামলার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

পিট হেগসেথ বলেন, এই সংঘাত ‘তথাকথিত শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের যুদ্ধ ছিল না, তবে শাসনব্যবস্থা অবশ্যই পরিবর্তিত হয়েছে এবং আজ বিশ্ব এর জন্য আরও ভালো অবস্থায় রয়েছে। আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি, কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে আমরা এটি শেষ করছি।’

এ সময় তিনি ইরান কয়েক দশক ধরে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বর্বর, একতরফা যুদ্ধ’ চালিয়েছে আসছে বলে অভিযোগ করেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব বলেন, তেহরানের কাছে পারমাণবিক চুক্তি করার ‘সকল সুযোগ’ ছিল, কিন্তু ইরানি সরকার ‘অহংকারী হয়ে’ চুক্তিতে পৌঁছাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধান করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার ‘স্থবির’ ছিল।

হেগসেথ বলেন, ইরানের উদ্দেশ্য ছিল ‘আমাদের জিম্মি করা এবং আমাদের বাহিনীকে আক্রমণের হুমকি দেওয়া’।

তিনি আরও জানান, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ মূলত ‘লেজার-কেন্দ্রিক’; ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ধ্বংস করবে, তাদের নৌবাহিনী ও অন্যান্য নিরাপত্তা অবকাঠামো ধ্বংস করবে এবং নিশ্চিত করবে যে তারা কখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না।

প্রতিরক্ষা সচিবের ভাষায়, সামরিক অভিযান ইরানিদের উপর ‘অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে, অপ্রতিরোধ্যভাবে এবং ক্ষমাহীনভাবে’ আঘাত করছে। তিনি মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি ‘অন্তহীন যুদ্ধের’ সূচনা হিসেবে এই অভিযানের সমালোচনা প্রত্যাখ্যান করে বলেন, ‘এটা ইরাক নয়। এটা অফুরন্ত নয়। আমাদের প্রজন্ম ভালো জানে এবং এই প্রেসিডেন্টও তাই জানেন।’